General ScienceJob Preparation

মানবদেহের অঙ্গ ও প্রধান তন্ত্র: পরিপাক, রক্তসংবহন, শ্বসন, স্নায়ু ও রেচনতন্ত্র | বিসিএস সাধারণ বিজ্ঞান

🔬 সম্পূর্ণ সাধারণ বিজ্ঞান (General Science) সিরিজ সূচিপত্র:
পর্ব 1: ১. অণুজীব ও রোগ পর্ব 2: ২. মানবদেহ ও তন্ত্র ★ পর্ব 3: ৩. পৃথিবী ও মহাবিশ্ব পর্ব 4: ৪. বলবিদ্যা ও শক্তি পর্ব 5: ৫. জৈব ও অজৈব যৌগ পর্ব 6: ৬. পরমাণুর গঠন পর্ব 7: ৭. ব্যবহারিক রসায়ন পর্ব 8: ৮. তড়িৎ ও বিদ্যুৎ পর্ব 9: ৯. রাসায়নিক বিক্রিয়া পর্ব 10: ১০. অ্যাসিড ও ক্ষার পর্ব 11: ১১. আলো ও লেন্স পর্ব 12: ১২. মৌলিক কণা পর্ব 13: ১৩. বিজ্ঞানের উন্নয়ন পর্ব 14: ১৪. তরঙ্গ ও শব্দ পর্ব 15: ১৫. উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব পর্ব 16: ১৬. কোষ ও কোষ বিভাজন পর্ব 17: ১৭. তাপ ও তাপমাত্রা পর্ব 18: ১৮. জীবজগৎ পর্ব 19: ১৯. ইলেকট্রনিক্স পর্ব 20: ২০. চৌম্বকত্ব পর্ব 21: ২১. টিস্যু ও কলা পর্ব 22: ২২. জৈবভৌত ধর্ম পর্ব 23: ২৩. পদার্থের অবস্থা পর্ব 24: ২৪. রাশি ও পরিমাপ পর্ব 25: ২৫. ভিটামিন ও খনিজ পর্ব 26: ২৬. খাদ্য ও পুষ্টি পর্ব 27: ২৭. রক্ত ও ব্লাড গ্রুপ পর্ব 28: ২৮. হরমোন ও গ্রন্থি পর্ব 29: ২৯. জিনতত্ত্ব ও DNA পর্ব 30: ৩০. প্রজননতন্ত্র পর্ব 31: ৩১. জীবাণু ও পরজীবী পর্ব 32: ৩২. চিকিৎসা প্রযুক্তি পর্ব 33: ৩৩. বাস্তুতন্ত্র পর্ব 34: ৩৪. দূষণ ও গ্রিনহাউস পর্ব 35: ৩৫. পানি ও পানিচক্র পর্ব 36: ৩৬. ধাতু ও সংকর ধাতু পর্ব 37: ৩৭. পর্যায় সারণি পর্ব 38: ৩৮. জ্বালানি ও দহন পর্ব 39: ৩৯. দৈনন্দিন পদার্থবিজ্ঞান পর্ব 40: ৪০. বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্ব 41: ৪১. পারমাণবিক শক্তি পর্ব 42: ৪২. আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্ব 43: ৪৩. আবিষ্কার ও আবিষ্কারক পর্ব 44: ৪৪. বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি

For competitive job exams (BCS, Bank, Primary), mastering মানবদেহের প্রধান অঙ্গ ও শারীরতত্ত্ব is essential for scoring high. In this comprehensive study guide, all core rules, classification charts, and solved previous exam questions of মানবদেহের প্রধান অঙ্গ ও শারীরতত্ত্ব are explained below.

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মানব শরীর বিভিন্ন অঙ্গ ও তন্ত্রের সমন্বয়ে গঠিত একটি অনন্য জীবন্ত জৈব-যন্ত্র। প্রতিটি তন্ত্র নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদন করে দেহকে সচল রাখে। বিসিএস পরীক্ষায় শারীরবিদ্যা ও মানবদেহ থেকে প্রায় প্রতি বছর একাধিক প্রশ্ন আসে।


১. মানবদেহের প্রধান অঙ্গ ও শারীরতত্ত্ব: পরিপাকতন্ত্র (Digestive System)

পরিপাক হলো যে জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জটিল ও অদ্রবণীয় খাদ্য উপাদান নির্দিষ্ট এনজাইম ও হরমোনের সহায়তায় ভেঙে সরল ও শোষণযোগ্য উপাদানে পরিণত হয়।

প্রধান পরিপাক অঙ্গ ও কার্যক্রম:

1. মুখবিবর ও লালাগ্রন্থি: মানবদেহে ৩ জোড়া লালাগ্রন্থি রয়েছে (প্যারোটিড, সাবম্যান্ডিবুলার, সাবলিঙ্গুয়াল)। লালারসে থাকে টায়ালিন (Ptyalin) ও মল্টেজ, যা শর্করা পরিপাক শুরু করে।
2. পাকস্থলী (Stomach):

  • গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) এবং পেপসিনোজেন।
  • HCl এর কাজ: খাদ্যের ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে এবং নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেনকে সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তর করে।
  • পেপসিন: আমিষকে ভেঙে পেপটোনে পরিণত করে।
  • রেনিন: দুধের প্রোটিন কেসিনকে তঞ্চন করে প্যারাকেসিনে রূপান্তর করে।

3. ক্ষুদ্রান্ত্র (Small Intestine):

  • তিনটি অংশ: ডুওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম।
  • প্রধান কাজ: খাদ্যের পরিপাক সমাপ্ত হয় এবং পুষ্টি উপাদান শোষিত হয় আঙ্গুলের মতো প্রক্ষেপণ ভিলাই (Villi) এর মাধ্যমে।

4. যকৃৎ (Liver):

  • মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি (ওজন প্রায় ১.৫ কেজি)। একে দেহের ‘জৈব রসায়নাগার’ (Organic Chemical Laboratory) বলা হয়।
  • যকৃৎ পিত্তরস (Bile) তৈরি করে যা পিত্তথলিতে জমা থাকে। পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না, এটি ফ্যাটের ইমালসিফিকেশন ঘটায়।

5. অগ্ন্যাশয় (Pancreas):

  • এটি একটি মিশ্র গ্রন্থি (উভয় অন্তঃক্ষরা ও বহিঃক্ষরা গ্রন্থি)।
  • এনজাইম নিঃসরণ: ট্রিপসিন (আমিষ), অ্যামাইলেজ (শর্করা), লাইপেজ (চর্বি)।
  • হরমোন নিঃসরণ: আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স থেকে নিঃসৃত হয় ইনসুলিন ও গ্লুকাগন।
🔬 ইনফোগ্রাফিক মেমোরি কার্ড:
ইনফোগ্রাফিক মেমোরি কার্ড: প্রধান খাদ্য উপাদান ও পাচক এনজাইম

– শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট: টায়ালিন, অ্যামাইলেজ, মল্টেজ ➔ চূড়ান্ত রূপ: গ্লুকোজ

– আমিষ বা প্রোটিন: পেপসিন, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন ➔ চূড়ান্ত রূপ: অ্যামিনো অ্যাসিড

– স্নেহ বা লিপিড: পিত্তরস (ইমালসিফিকেশন) + লাইপেজ ➔ চূড়ান্ত রূপ: ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল


২. রক্তসংবহন তন্ত্র ও হৃদপিণ্ড (Circulatory System)

মানব হৃদপিণ্ড একটি পাম্পিং অঙ্গ যা অনৈচ্ছিক মায়োজেনিক স্পন্দনের মাধ্যমে রক্ত সারা দেহে সঞ্চালিত করে।

হৃদপিণ্ডের গঠন:

  • আবরণ: হৃদপিণ্ডের দ্বিস্তরী পাতলা আবরণীর নাম পেরিকার্ডিয়াম (Pericardium)।
  • প্রকোষ্ঠ: মোট ৪টি প্রকোষ্ঠ—ডান অলিন্দ, বাম অলিন্দ, ডান নিলয় এবং বাম নিলয়।
  • কপাটিকা (Valves):
  • ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে: ট্রাইকাসপিড কপাটিকা।
  • বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের মাঝে: বাইকাসপিড বা মাইট্রাল কপাটিকা।
  • মহাধমনী ও ফুসফুসীয় ধমনীর মুখে: সেমিলুনার বা অর্ধচন্দ্রাকার কপাটিকা।
  • রক্তের গতিপথ:
  • ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত ডান অলিন্দে আসে।
  • ফুসফুসীয় ধমনী (Pulmonary Artery) একমাত্র ধমনী যা ব্যতিক্রমীভাবে দূষিত/CO2-যুক্ত রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে ফুসফুসে নিয়ে যায়।
  • ফুসফুসীয় শিরা (Pulmonary Vein) একমাত্র শিরা যা অক্সিজেনযুক্ত বিশুদ্ধ রক্ত ফুসফুস থেকে বাম অলিন্দে বহন করে।
  • রক্তচাপ (Blood Pressure): স্বাভাবিক সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সিস্টোলিক চাপ ১২০ মিমি এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মিমি পারদ (120/80 mmHg)। রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer)।

—

৩. শ্বসনতন্ত্র (Respiratory System)

  • ফুসফুস (Lungs): মানবদেহে দুটি ফুসফুস থাকে। এর আবরণীর নাম প্লুরা (Pleura)।
  • অ্যালভিওলাই (Alveoli): ফুসফুসের গঠন ও কাজের একক হলো অ্যালভিওলাই। এখানে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসীয় আদান-প্রদান (O2 গ্রহণ ও CO2 বর্জন) সম্পন্ন হয়।
  • হিমোগ্লোবিন: লোহিত রক্তকণিকায় বিদ্যমান আয়রনযুক্ত রঞ্জক পদার্থ। এটি অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অস্থায়ী অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ তৈরি করে দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে।

—

৪. রেচনতন্ত্র (Excretory System)

রেচন হলো বিপাকীয় বর্জ্য নিষ্কাশন প্রক্রিয়া। নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য (ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, ক্রিয়েটিনিন) অপসারণে মূল ভূমিকা রাখে বৃক্ক বা কিডনি।

  • বৃক্কের আবরণ: ক্যাপসুল (Capsule)।
  • গঠন ও কাজের একক: নেফ্রন (Nephron)। প্রতিটি মানব বৃক্কে প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ নেফ্রন থাকে।
  • নেফ্রনের অংশ: রেনাল করপাসল (বোম্যান্স ক্যাপসুল + গ্লোমেরুলাস) এবং রেনাল টিউবিউল।
  • আল্ট্রাফিল্ট্রেশন: বোম্যান্স ক্যাপসুলের অভ্যন্তরে গ্লোমেরুলাসে রক্তের অতি-পরিশ্রাবণ ঘটে।

—

৫. স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ক (Nervous System)

  • মস্তিষ্কের আবরণ: মেনিনজেস (Meninges)। এর প্রদাহকে মেনিনজাইটিস বলে।
  • মস্তিষ্কের ওজন: মানব মস্তিষ্কের গড় ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি (দেহের মোট ওজনের প্রায় ২%)।
  • মস্তিষ্কের প্রধান অংশসমূহ:

1. সেরিব্রাম (গুরুমস্তিষ্ক): মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ। এটি বুদ্ধি, চিন্তা, স্মৃতিশক্তি, অনুভূতি ও ইচ্ছাশক্তির কেন্দ্র।
2. সেরিবেলাম (লঘুমস্তিষ্ক): দেহের পেশির ভারসাম্য ও চলন নিয়ন্ত্রণ করে।
3. মেডুলা অবলংগাটা (সুষুম্না শীর্ষক): হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, শ্বাসপ্রশ্বাস ও খাদ্য গিলে ফেলার অনৈচ্ছিক কেন্দ্র।

  • গঠন ও কাজের একক: নিউরন (Neuron)। নিউরনের সংযোগস্থলকে সিন্যাপস (Synapse) বলা হয়।

—

বিগত বিসিএস ও চাকরির প্রশ্নব্যাংক

১. মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি কোনটি?

  • উত্তর: যকৃৎ বা লিভার [৪৫তম বিসিএস, ৩৫তম বিসিএস]।

২. মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?

  • উত্তর: স্ফিগমোম্যানোমিটার [৪৩তম বিসিএস]।

৩. কিডনির গঠন ও কাজের একক কী?

  • উত্তর: নেফ্রন [৪২তম বিসিএস, ৩১তম বিসিএস]।

৪. ইনসুলিন কোথা থেকে নিঃসৃত হয়?

  • উত্তর: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে [৪০তম বিসিএস]।

৫. ব্যতিক্রমী শিরা কোনটি যা অক্সিজেনযুক্ত বিশুদ্ধ রক্ত পরিবহন করে?

  • উত্তর: ফুসফুসীয় শিরা (Pulmonary Vein) [৩৮তম বিসিএস]।

📝 বিগত নিয়োগ পরীক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন প্রশ্নব্যাংক (MCQ)

০১. মানবদেহের কোন অঙ্গে ইউরিয়া তৈরি হয়?
(ক) বৃক্ক (Kidney)
(খ) যকৃৎ (Liver)
(গ) প্লীহা (Spleen)
(ঘ) মূত্রথলি

✓ সঠিক উত্তর: খ) যকৃৎ (Liver)
💡 ব্যাখ্যা: যকৃতে অর্নিথিন চক্রের (Ornithine Cycle) মাধ্যমে অতিরিক্ত বিষাক্ত অ্যামোনিয়া ভেঙে অপেক্ষাকৃত কম বিষাক্ত ইউরিয়ায় রূপান্তরিত হয়, যা পরবর্তীতে বৃক্কের মাধ্যমে মূত্রের সাথে বের হয়।
০২. হৃদপিণ্ডের সংকোচনকে বিজ্ঞানের ভাষায় কী বলা হয়?
(ক) ডায়াস্টোল
(খ) সিস্টোল
(গ) পেরিস্টালসিস
(ঘ) পালসেশন

✓ সঠিক উত্তর: খ) সিস্টোল
💡 ব্যাখ্যা: হৃদপিণ্ডের অলিন্দ বা নিলয়ের সংকোচনকে সিস্টোল এবং প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।
০৩. মস্তিষ্কের কোন অংশ মানবদেহের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে?
(ক) সেরিব্রাম
(খ) সেরিবেলাম
(গ) থ্যালামাস
(ঘ) হাইপোথ্যালামাস

✓ সঠিক উত্তর: খ) সেরিবেলাম
💡 ব্যাখ্যা: সেরিবেলাম বা লঘুমস্তিষ্ক মানবদেহের পেশি টান নিয়ন্ত্রণ করে এবং হাঁটাচলা ও অঙ্গভঙ্গির ভারসাম্য বজায় রাখে।
০৪. দুধে বিদ্যমান প্রোটিন তঞ্চনে পাকস্থলীতে কোন এনজাইমটি কাজ করে?
(ক) টায়ালিন
(খ) রেনিন
(গ) পেপসিন
(ঘ) লাইপেজ

✓ সঠিক উত্তর: খ) রেনিন
💡 ব্যাখ্যা: রেনিন শিশুদের পাকস্থলীতে দুধের প্রোটিন কেসিনকে প্যারাকেসিনে রূপান্তর করে পরিপাকে সহায়তা করে।
০৫. একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্তে স্বাভাবিক রক্তচাপ কত?
(ক) ১৪০/৯০ মিমি পারদ
(খ) ১২০/৮০ মিমি পারদ
(গ) ১০০/৬০ মিমি পারদ
(ঘ) ১১০/৭০ মিমি পারদ

✓ সঠিক উত্তর: খ) ১২০/৮০ মিমি পারদ
💡 ব্যাখ্যা: আদর্শ রক্তচাপে সিস্টোলিক চাপ থাকে ১২০ মিমি পারদ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ থাকে ৮০ মিমি পারদ।
🔬 সম্পূর্ণ সাধারণ বিজ্ঞান (General Science) সিরিজ সূচিপত্র:
পর্ব 1: ১. অণুজীব ও রোগ পর্ব 2: ২. মানবদেহ ও তন্ত্র ★ পর্ব 3: ৩. পৃথিবী ও মহাবিশ্ব পর্ব 4: ৪. বলবিদ্যা ও শক্তি পর্ব 5: ৫. জৈব ও অজৈব যৌগ পর্ব 6: ৬. পরমাণুর গঠন পর্ব 7: ৭. ব্যবহারিক রসায়ন পর্ব 8: ৮. তড়িৎ ও বিদ্যুৎ পর্ব 9: ৯. রাসায়নিক বিক্রিয়া পর্ব 10: ১০. অ্যাসিড ও ক্ষার পর্ব 11: ১১. আলো ও লেন্স পর্ব 12: ১২. মৌলিক কণা পর্ব 13: ১৩. বিজ্ঞানের উন্নয়ন পর্ব 14: ১৪. তরঙ্গ ও শব্দ পর্ব 15: ১৫. উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব পর্ব 16: ১৬. কোষ ও কোষ বিভাজন পর্ব 17: ১৭. তাপ ও তাপমাত্রা পর্ব 18: ১৮. জীবজগৎ পর্ব 19: ১৯. ইলেকট্রনিক্স পর্ব 20: ২০. চৌম্বকত্ব পর্ব 21: ২১. টিস্যু ও কলা পর্ব 22: ২২. জৈবভৌত ধর্ম পর্ব 23: ২৩. পদার্থের অবস্থা পর্ব 24: ২৪. রাশি ও পরিমাপ পর্ব 25: ২৫. ভিটামিন ও খনিজ পর্ব 26: ২৬. খাদ্য ও পুষ্টি পর্ব 27: ২৭. রক্ত ও ব্লাড গ্রুপ পর্ব 28: ২৮. হরমোন ও গ্রন্থি পর্ব 29: ২৯. জিনতত্ত্ব ও DNA পর্ব 30: ৩০. প্রজননতন্ত্র পর্ব 31: ৩১. জীবাণু ও পরজীবী পর্ব 32: ৩২. চিকিৎসা প্রযুক্তি পর্ব 33: ৩৩. বাস্তুতন্ত্র পর্ব 34: ৩৪. দূষণ ও গ্রিনহাউস পর্ব 35: ৩৫. পানি ও পানিচক্র পর্ব 36: ৩৬. ধাতু ও সংকর ধাতু পর্ব 37: ৩৭. পর্যায় সারণি পর্ব 38: ৩৮. জ্বালানি ও দহন পর্ব 39: ৩৯. দৈনন্দিন পদার্থবিজ্ঞান পর্ব 40: ৪০. বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্ব 41: ৪১. পারমাণবিক শক্তি পর্ব 42: ৪২. আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্ব 43: ৪৩. আবিষ্কার ও আবিষ্কারক পর্ব 44: ৪৪. বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি
👨‍🏫
Mohammad Sakhaoat Hosain
Instructor (English), Hajiganj Government Technical School and College
Former Lecturer in English, Dhaka International University (DIU)

Related Articles

Back to top button