Geography, Environment & Disaster ManagementJob Preparation

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: ৫০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট ও ব্যাখ্যাসহ সমাধান | BCS Special

For competitive job exams (BCS, Bank, Primary), mastering ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মডেল টেস্ট is essential for scoring high. In this comprehensive study guide, all core rules, classification charts, and solved previous exam questions of ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মডেল টেস্ট are explained below.

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অংশে মোট ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। এই ৫০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্টটি বিসিএস প্রিলিমিনারি ও সকল পিএসসি/ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য সিলেবাসের ৫টি অধ্যায় থেকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে।


ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মডেল টেস্ট: 🎯 সিলেবাসভিত্তিক প্রশ্ন বণ্টন ছক

📊 ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মডেল টেস্ট তুলনামূলক চার্ট ও বিশ্লেষণ:

অধ্যায় ও বিষয় প্রশ্নের ব্যাপ্তি প্রশ্ন সংখ্যা
অধ্যায় ১: বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা প্রশ্ন ০১ – ১০ ১০টি
অধ্যায় ২: প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রশ্ন ১১ – ২০ ১০টি
অধ্যায় ৩: অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ ও ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য প্রশ্ন ২১ – ৩০ ১০টি
অধ্যায় ৪: বাংলাদেশের পরিবেশ, প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ প্রশ্ন ৩১ – ৪০ ১০টি
অধ্যায় ৫: বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক চুক্তি প্রশ্ন ৪১ – ৫০ ১০টি
সর্বমোট ০১ – ৫০ ৫০টি প্রশ্ন
🔬 ইনফোগ্রাফিক মেমোরি কার্ড:
পরীক্ষার নির্দেশিকা ও সেলফ টেস্ট মেথড:

১. প্রতিটি প্রশ্নের ৪টি অপশন মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করুন।

২. প্রথমে নিজে উত্তর চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন, এরপর সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা মিলিয়ে নিন।

৩. নেগেটিভ মার্কিং হিসাব করতে পারেন (প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কর্তন)।


মডেল টেস্টের গুরুত্ব ও পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি টিপস

ভূগোল অংশে মুখস্থ বিদ্যার চেয়ে মানচিত্র ও চার্টভিত্তিক ধারণা বেশি কার্যকর। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা, দ্রাঘিমাংশের সময়ের হিসাব, সমুদ্রসীমা আইন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র, নদীসমূহের উৎপত্তিস্থল ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ প্রটোকলগুলো নিয়মিত পুনরাবৃত্তি করুন।

📝 বিগত নিয়োগ পরীক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ মডেল MCQ প্রশ্নব্যাংক

০১. বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে কোন গুরুত্বপূর্ণ কাল্পনিক ভৌগোলিক রেখা অতিক্রম করেছে?
(ক) বিষুবরেখা (Equator)
(খ) কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)
(গ) মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of Capricorn)
(ঘ) মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian)

✓ সঠিক উত্তর: খ) কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)
💡 ব্যাখ্যা: ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বা কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। এটি কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, চুয়াডাঙ্গা প্রভৃতি জেলার ওপর দিয়ে গেছে।
০২. মানচিত্রে স্থানিক উপাত্ত বিশ্লেষণ ও ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত প্রযুক্তির নাম কী?
(ক) GPS
(খ) GIS
(গ) Remote Sensing
(ঘ) Radar

✓ সঠিক উত্তর: খ) GIS
💡 ব্যাখ্যা: GIS-এর পূর্ণরূপ হলো Geographic Information System। এটি ভৌগোলিক ও স্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও মানচিত্রায়নে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে GPS হলো অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থা।
০৩. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) মূলত কোন জলভাগের ওপর দিয়ে আঁকা হয়েছে?
(ক) আটলান্টিক মহাসাগর
(খ) ভারত মহাসাগর
(গ) প্রশান্ত মহাসাগর (বেরিং প্রণালী)
(ঘ) ভূমধ্যসাগর

✓ সঠিক উত্তর: গ) প্রশান্ত মহাসাগর (বেরিং প্রণালী)
💡 ব্যাখ্যা: ১৮০° দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে প্রশান্ত মহাসাগরের বেরিং প্রণালীর ওপর দিয়ে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কল্পনা করা হয়েছে। স্থলভাগ এড়াতে এটি কিছুটা আঁকাবাঁকা।
০৪. ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা কত?
(ক) ১২ নটিক্যাল মাইল
(খ) ২৪ নটিক্যাল মাইল
(গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
(ঘ) ৩৫০ নটিক্যাল মাইল

✓ সঠিক উত্তর: ক) ১২ নটিক্যাল মাইল
💡 ব্যাখ্যা: ভূপৃষ্ঠের বেইজলাইন থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত রাষ্ট্রের পূর্ণ সার্বভৌম রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা (Territorial Sea)। ২০০ নটিক্যাল মাইল হলো বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ)।
০৫. আন্তর্জাতিক সালিশ আদালতের (PCA) রায় অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমা কত তারিখে মীমাংসা হয়?
(ক) ১৪ মার্চ ২০১২
(খ) ৮ জুলাই ২০১৪
(গ) ৩১ জুলাই ২০১৫
(ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

✓ সঠিক উত্তর: খ) ৮ জুলাই ২০১৪
💡 ব্যাখ্যা: নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত (PCA) ৮ জুলাই ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধের ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করে, যাতে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ বর্গকিমি এলাকা লাভ করে।
০৬. বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থান ‘জায়গীরজোত’ কোন উপজেলার অন্তর্গত?
(ক) রুমা
(খ) তেঁতুলিয়া
(গ) শিবগঞ্জ
(ঘ) টেকনাফ

✓ সঠিক উত্তর: খ) তেঁতুলিয়া
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়, উপজেলা তেঁতুলিয়া, ইউনিয়ন বাংলাবান্ধা এবং নির্দিষ্ট স্থান জায়গীরজোত।
০৭. বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী মোট রাজ্যের সংখ্যা কয়টি?
(ক) ৩টি
(খ) ৪টি
(গ) ৫টি
(ঘ) ৭টি

✓ সঠিক উত্তর: গ) ৫টি
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা রয়েছে ৫টি রাজ্যের: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত পশ্চিমবঙ্গের সাথে।
০৮. বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ (ক্ষেত্রফলের দিক থেকে) কোনটি?
(ক) বৈকাল হ্রদ
(খ) কাস্পিয়ান সাগর
(গ) সুপিরিয়র হ্রদ
(ঘ) ভিক্টোরিয়া হ্রদ

✓ সঠিক উত্তর: খ) কাস্পিয়ান সাগর
💡 ব্যাখ্যা: কাস্পিয়ান সাগর মূলত একটি ভূবেষ্টিত নোনাপানির হ্রদ এবং এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ (৩,৭১,০০০ বর্গকিমি)। বৈকাল বিশ্বের গভীরতম এবং সুপিরিয়র বৃহত্তম মিষ্টি পানির হ্রদ।
০৯. গ্রিনিচ মান সময়ের (GMT) তুলনায় বাংলাদেশের প্রমাণ সময় কত ঘণ্টা এগিয়ে?
(ক) +৫ ঘণ্টা
(খ) +৫:৩০ ঘণ্টা
(গ) +৬ ঘণ্টা
(ঘ) +৬:৩০ ঘণ্টা

✓ সঠিক উত্তর: গ) +৬ ঘণ্টা
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত। ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট; সুতরাং ৯০° × ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ঠিক ৬ ঘণ্টা এগিয়ে (+৬:০০ UTC)।
১০. মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সংযোগকারী একমাত্র জেলা কোনটি?
(ক) বান্দরবান
(খ) রাঙ্গামাটি
(গ) কক্সবাজার
(ঘ) কক্সবাজার ও বান্দরবান (৩টি জেলা: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার)

✓ সঠিক উত্তর: ঘ) কক্সবাজার ও বান্দরবান (৩টি জেলা: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার)
💡 ব্যাখ্যা: মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে: বান্দরবান, কক্সবাজার এবং রাঙ্গামাটি (রাঙ্গামাটি ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে সংযুক্ত)।
১১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের (Disaster Management Cycle) কোন স্তরটি দুর্যোগের পরবর্তী পর্যায়ের সাথে সম্পর্কিত?
(ক) প্রশমন (Mitigation)
(খ) প্রস্তুতি (Preparedness)
(গ) সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার (Response & Recovery)
(ঘ) ঝুঁকি হ্রাস (Risk Reduction)

✓ সঠিক উত্তর: গ) সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার (Response & Recovery)
💡 ব্যাখ্যা: দুর্যোগ-পূর্ব স্তর: প্রতিরোধ, প্রশমন, প্রস্তুতি। দুর্যোগকালীন স্তর: তাৎক্ষণিক সাড়াদান (Response)। দুর্যোগ-পরবর্তী স্তর: পুনরুদ্ধার, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণ।
১২. বাংলাদেশ সমুদ্রবন্দরের আবহাওয়া সতর্কবার্তায় ‘মহাবিপদ সংকেত’ কোন নম্বর সংকেতগুলোকে বোঝায়?
(ক) ১ থেকে ৩ নম্বর
(খ) ৪ থেকে ৭ নম্বর
(গ) ৮, ৯ ও ১০ নম্বর
(ঘ) ১১ নম্বর

✓ সঠিক উত্তর: গ) ৮, ৯ ও ১০ নম্বর
💡 ব্যাখ্যা: সমুদ্রবন্দরের সংকেতমালায় ৮, ৯ ও ১০ নম্বর সংকেত হলো ‘মহাবিপদ সংকেত’ (Great Danger Signal) এবং ১১ নম্বর সংকেত হলো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত।
১৩. নদীবন্দর সতর্কবার্তায় সর্বোচ্চ সতর্ক সংকেত কোনটি?
(ক) ১ নম্বর সংকেত
(খ) ২ নম্বর সংকেত
(গ) ৩ নম্বর সংকেত
(ঘ) ৪ নম্বর সংকেত

✓ সঠিক উত্তর: ঘ) ৪ নম্বর সংকেত
💡 ব্যাখ্যা: নদীবন্দরের সতর্ক সংকেত মোট ৪টি। এর মধ্যে ৪ নম্বর সংকেত হলো সর্বোচ্চ মহাবিপদ সংকেত, যার অর্থ অবিলম্বে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা।
১৪. ঘূর্ণিঝড়ের চোখ (Eye of the Cyclone)-এর আবহাওয়া বৈশিষ্ট্য কোনটি?
(ক) প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রপাত
(খ) শান্ত আবহাওয়া, মেঘমুক্ত আকাশ ও সর্বনিম্ন বায়ুর চাপ
(গ) তীব্র বাতাস ও শিলাবৃষ্টি
(ঘ) ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ বাতাসের গতি

✓ সঠিক উত্তর: খ) শান্ত আবহাওয়া, মেঘমুক্ত আকাশ ও সর্বনিম্ন বায়ুর চাপ
💡 ব্যাখ্যা: ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলা হয়। এখানে অত্যন্ত নিম্নচাপ থাকে কিন্তু বাতাস শান্ত ও আকাশ সাধারণত মেঘমুক্ত থাকে।
১৫. ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র ও মাত্রার স্কেল যথাক্রমে কোন দুটি?
(ক) সিসমোগ্রাফ ও রিখটার স্কেল
(খ) ব্যারোমিটার ও ফারেনহাইট
(গ) অ্যানিমোমিটার ও নট
(ঘ) হাইগ্রোমিটার ও বিউফোর্ট

✓ সঠিক উত্তর: ক) সিসমোগ্রাফ ও রিখটার স্কেল
💡 ব্যাখ্যা: ভূমিকম্পের তরঙ্গ ও কম্পন রেকর্ডকারী যন্ত্র হলো সিসমোগ্রাফ (Seismograph) এবং ভূমিকম্পের শক্তিমত্তা পরিমাপের গাণিতিক স্কেল হলো রিখটার স্কেল (Richter Scale)।
১৬. বাংলাদেশে ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (Zone-1) হিসেবে কোন অঞ্চলটি চিহ্নিত?
(ক) খুলনা ও বরিশাল
(খ) ঢাকা ও ফরিদপুর
(গ) সিলেট, ময়মনসিংহ ও কুড়িগ্রাম
(ঘ) রাজশাহী ও পাবনা

✓ সঠিক উত্তর: গ) সিলেট, ময়মনসিংহ ও কুড়িগ্রাম
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) অনুযায়ী ডাউকি ফল্ট ও প্লেট বাউন্ডারির কাছাকাছি হওয়ায় সিলেট, ময়মনসিংহ ও কুড়িগ্রাম সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ (Zone-1)।
১৭. কোন সালে সংঘটিত প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল?
(ক) ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর
(খ) ১৯৮৮ সালের ২৯ নভেম্বর
(গ) ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল
(ঘ) ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর

✓ সঠিক উত্তর: ক) ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর
💡 ব্যাখ্যা: ১২ নভেম্বর ১৯৭০ সালের গ্রেট ভোলা সাইক্লোন বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়, যাতে প্রায় ৩ থেকে ৫ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়।
১৮. ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ (Sidr) বাংলাদেশে কবে আঘাত হেনেছিল?
(ক) ১৫ নভেম্বর ২০০৭
(খ) ২৫ মে ২০০৯
(গ) ৩ মে ২০১৯
(ঘ) ২০ মে ২০২০

✓ সঠিক উত্তর: ক) ১৫ নভেম্বর ২০০৭
💡 ব্যাখ্যা: ক্যাটাগরি-৫ ঘূর্ণিঝড় সিডর ১৫ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানে। ‘সিডর’ সিংহলি শব্দ, যার অর্থ ‘চোখ’।
১৯. ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP) যৌথভাবে পরিচালনা করে বাংলাদেশ সরকার এবং কোন সংস্থা?
(ক) ইউনেস্কো
(খ) আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS)
(গ) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
(ঘ) ইউএনডিপি

✓ সঠিক উত্তর: খ) আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS)
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি যৌথ কর্মসূচি।
২০. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় থাকলে কোন অবস্থানে থাকা সবচেয়ে নিরাপদ?
(ক) বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া
(খ) মাটিতে শুয়ে পড়া
(গ) দুই কান চেপে ধরে হাঁটু মুড়ে উবু হয়ে পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে বসা
(ঘ) ছাতা মাথায় দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা

✓ সঠিক উত্তর: গ) দুই কান চেপে ধরে হাঁটু মুড়ে উবু হয়ে পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে বসা
💡 ব্যাখ্যা: বজ্রপাতের সময় মাটিতে বুক দিয়ে শোয়া বিপজ্জনক (গ্রাউন্ড কারেন্টের কারণে)। সবচেয়ে নিরাপদ হলো শরীরকে যতদূর সম্ভব ছোট করে দুই পা একসাথে রেখে আঙুলে ভর দিয়ে উবু হয়ে বসা।
২১. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনের বহিঃস্থ স্তূপ যা মূলত সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম দ্বারা গঠিত, তাকে কী বলে?
(ক) সিমা (SIMA)
(খ) শিয়াল (SIAL)
(গ) গুরুমণ্ডল
(ঘ) কেন্দ্রমণ্ডল

✓ সঠিক উত্তর: খ) শিয়াল (SIAL)
💡 ব্যাখ্যা: মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রধান উপাদান সিলিকা (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al), সংক্ষেপে একে শিয়াল (SIAL) স্তর বলা হয়। মহাসাগরীয় ভূত্বককে বলা হয় সিমা (SIMA)।
২২. চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোন শিলায় পরিণত হয়?
(ক) মার্বেল
(খ) স্লেট
(গ) কোয়ার্টজাইট
(ঘ) গ্রাফাইট

✓ সঠিক উত্তর: ক) মার্বেল
💡 ব্যাখ্যা: পাললিক শিলা চুনাপাথর অতিরিক্ত তাপ ও চাপে রূপান্তরিত হয়ে মার্বেলে পরিণত হয়। একইভাবে কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেটে পরিণত হয়।
২৩. মরুভূমিতে বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ব্যাঙের ছাতার মতো ভূমিরূপকে কী বলে?
(ক) ইয়ারদাং
(খ) বারখান
(গ) গৌর (Gour)
(ঘ) লোয়েস

✓ সঠিক উত্তর: গ) গৌর (Gour)
💡 ব্যাখ্যা: মরুভূমিতে বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে শিলাস্তম্ভের নিচের অংশ বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ব্যাঙের ছাতার আকার ধারণ করে, একে গৌর (Gour বা Mushroom Rock) বলে।
২৪. নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে তীব্র বাঁক তৈরি হয়ে নদী সরাসরি প্রবাহিত হলে পরিত্যক্ত বাঁকে কোন হ্রদ সৃষ্টি হয়?
(ক) ক্র্যাটার হ্রদ
(খ) অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ (Oxbow Lake)
(গ) লেগুন
(ঘ) টর্ন হ্রদ

✓ সঠিক উত্তর: খ) অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ (Oxbow Lake)
💡 ব্যাখ্যা: সমতল ভূমিতে নদীর তীব্র বাঁক (Meander) থেকে মূল স্রোত বিচ্ছিন্ন হয়ে ঘোড়ার ক্ষুরের ন্যায় জলাশয় তৈরি করে, একে অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ বলে।
২৫. মরক্কো ও স্পেনকে পৃথককারী এবং আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরকে সংযোগকারী প্রণালী কোনটি?
(ক) হরমুজ প্রণালী
(খ) জিব্রাল্টার প্রণালী
(গ) বসফরাস প্রণালী
(ঘ) মালাক্কা প্রণালী

✓ সঠিক উত্তর: খ) জিব্রাল্টার প্রণালী
💡 ব্যাখ্যা: জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ (স্পেন) ও আফ্রিকাকে (মরক্কো) পৃথক করেছে এবং ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
২৬. লোহিত সাগর ও সুয়েজ উপসাগরের সাথে ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে কোন বিখ্যাত খাল?
(ক) পানামা খাল
(খ) সুয়েজ খাল
(গ) কিল খাল
(ঘ) গ্র্যান্ড ক্যানেল

✓ সঠিক উত্তর: খ) সুয়েজ খাল
💡 ব্যাখ্যা: ১৮৬৯ সালে খননকৃত মিশরের সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। এর প্রকৌশলী ছিলেন ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্স।
২৭. বিশ্বের গভীরতম সমুদ্র খাত ‘মারিয়ানা ট্রেঞ্চ’ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
(ক) আটলান্টিক মহাসাগর
(খ) ভারত মহাসাগর
(গ) প্রশান্ত মহাসাগর
(ঘ) উত্তর মহাসাগর

✓ সঠিক উত্তর: গ) প্রশান্ত মহাসাগর
💡 ব্যাখ্যা: প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চ্যালেঞ্জার ডিপ হলো পৃথিবীর গভীরতম বিন্দু, যার গভীরতা প্রায় ১০,৯৯৪ মিটার (প্রায় ১১ কিমি)।
২৮. উপসাগরীয় উষ্ণ স্রোত (Gulf Stream) কোন মহাসাগরে প্রবাহিত হয়?
(ক) আটলান্টিক মহাসাগর
(খ) প্রশান্ত মহাসাগর
(গ) ভারত মহাসাগর
(ঘ) দক্ষিণ মহাসাগর

✓ সঠিক উত্তর: ক) আটলান্টিক মহাসাগর
💡 ব্যাখ্যা: উপসাগরীয় স্রোত আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শক্তিশালী উষ্ণ সমুদ্রস্রোত, যা মেক্সিকো উপসাগর থেকে ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত প্রবাহিত হয়।
২৯. বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত (উচ্চতার দিক থেকে) কোনটি?
(ক) নায়াগ্রা জলপ্রপাত
(খ) ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
(গ) অ্যাঞ্জেল ফলস (Angel Falls)
(ঘ) ইগুয়াজু জলপ্রপাত

✓ সঠিক উত্তর: গ) অ্যাঞ্জেল ফলস (Angel Falls)
💡 ব্যাখ্যা: ভেনিজুয়েলার চুরুন নদীতে অবস্থিত অ্যাঞ্জেল ফলস বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত, যার উচ্চতা প্রায় ৯৭৯ মিটার।
৩০. ভূমিকম্পপ্রবণ ‘রিং অব ফায়ার’ (Ring of Fire) কোন মহাসাগরকে ঘিরে অবস্থিত?
(ক) ভারত মহাসাগর
(খ) প্রশান্ত মহাসাগর
(গ) আটলান্টিক মহাসাগর
(ঘ) আর্কটিক মহাসাগর

✓ সঠিক উত্তর: খ) প্রশান্ত মহাসাগর
💡 ব্যাখ্যা: প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলীয় বলয়ে বিশ্বের প্রায় ৭৫% জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ও ৯০% ভূমিকম্প ঘটে থাকে, যাকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘অগ্নিবলয়’ বা রিং অব ফায়ার বলে।
৩১. ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুসারে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে কয়টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়?
(ক) ২টি
(খ) ৩টি
(গ) ৪টি
(ঘ) ৫টি

✓ সঠিক উত্তর: খ) ৩টি
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়: ১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ (১২%), ২. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানসমূহ (৮%), এবং ৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি (৮০%)।
৩২. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ‘সাকা হাফং’ (কিংবা তাজিনডং) কোন জেলায় অবস্থিত?
(ক) রাঙ্গামাটি
(খ) খাগড়াছড়ি
(গ) বান্দরবান
(ঘ) মৌলভীবাজার

✓ সঠিক উত্তর: গ) বান্দরবান
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়গুলো বান্দরবান জেলায় অবস্থিত (সাকা হাফং ৩,৪৫১ ফুট; তাজিনডং ৪,১৭২ ফুট বিতর্কিত/৩,১৮৫ ফুট; কেওক্রাডং ৩,১৭২ ফুট)।
৩৩. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান বরেন্দ্রভূমির মাটির প্রধান রঙ ও বৈশিষ্ট্য কেমন?
(ক) কালো ও বেলে
(খ) ধূসর ও পলিযুক্ত
(গ) লালচে ও কাঁকড়াময়
(ঘ) গাঢ় বাদামি ও কাদাময়

✓ সঠিক উত্তর: গ) লালচে ও কাঁকড়াময়
💡 ব্যাখ্যা: বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় এবং লালমাই পাহাড়ের মাটি প্লাইস্টোসিন যুগের পুরাতন পলি দিয়ে গঠিত, যার রঙ লাল ও কাঁকড়াময়।
৩৪. ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশের পর কোন স্থানে তিস্তা নদীর সাথে মিলিত হয়ে যমুনা নাম ধারণ করেছে?
(ক) বাহাদুরাবাদ
(খ) চিলমারী, কুড়িগ্রাম
(গ) দেওয়ানগঞ্জ
(ঘ) গোয়ালন্দ

✓ সঠিক উত্তর: খ) চিলমারী, কুড়িগ্রাম
💡 ব্যাখ্যা: কুড়িগ্রামের রৌমারী দিয়ে ব্রহ্মপুত্র প্রবেশ করে এবং কুড়িগ্রামের চিলমারীর দক্ষিণে তিস্তা নদীর সাথে মিলিত হয়ে যমুনা নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
৩৫. পদ্মা ও যমুনা নদী কোন স্থানে পরস্পর মিলিত হয়েছে?
(ক) চাঁদপুর
(খ) গোয়ালন্দ (দৌলতদিয়া)
(গ) ভৈরব
(ঘ) মুন্সীগঞ্জ

✓ সঠিক উত্তর: খ) গোয়ালন্দ (দৌলতদিয়া)
💡 ব্যাখ্যা: রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে পদ্মা ও যমুনা মিলিত হয়ে সম্মিলিত প্রবাহ ‘পদ্মা’ নামে প্রবাহিত হয়। পরবর্তীতে চাঁদপুরে এসে এটি মেঘনার সাথে মিলিত হয়।
৩৬. কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
(ক) ত্রিপুরা
(খ) আসাম
(গ) মিজোরাম (লুসাই পাহাড়)
(ঘ) মেঘালয়

✓ সঠিক উত্তর: গ) মিজোরাম (লুসাই পাহাড়)
💡 ব্যাখ্যা: কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে উৎপন্ন হয়ে রাঙ্গামাটির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
৩৭. ইউনেস্কো সুন্দরবনকে কত সালে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (World Heritage Site) হিসেবে ঘোষণা করে?
(ক) ১৯৯২ সালে
(খ) ১৯৯৭ সালে
(গ) ১৯৯৯ সালে
(ঘ) ২০০১ সালে

✓ সঠিক উত্তর: খ) ১৯৯৭ সালে
💡 ব্যাখ্যা: ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনের প্রাকৃতিক অংশকে ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage) ঘোষণা করে। এটি রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায় ১৯৯২ সালে।
৩৮. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের স্থানীয় প্রচলিত নাম কী?
(ক) সোনার চর
(খ) নারিকেল জিঞ্জিরা
(গ) নিঝুম দ্বীপ
(ঘ) চর কুকরি-মুকরি

✓ সঠিক উত্তর: খ) নারিকেল জিঞ্জিরা
💡 ব্যাখ্যা: সেন্টমার্টিন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রবাল দ্বীপ, স্থানীয়ভাবে এটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত।
৩৯. বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানি তেলের খনিটি কোন স্থানে আবিষ্কৃত হয়েছিল?
(ক) রশিদপুর
(খ) হরিপুর, সিলেট
(গ) বিবিয়ানা
(ঘ) বাখরাবাদ

✓ সঠিক উত্তর: খ) হরিপুর, সিলেট
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র খনিজ তেল ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
৪০. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোন নদীতে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে?
(ক) হালদা নদী
(খ) কর্ণফুলী নদী
(গ) সাঙ্গু নদী
(ঘ) মাতামুহুরী নদী

✓ সঠিক উত্তর: খ) কর্ণফুলী নদী
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৬২ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে দেশের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ ‘কাপ্তাই হ্রদ’ এবং কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।
৪১. কোন আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC) গ্যাসের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়?
(ক) কিয়োটো প্রটোকল
(খ) মন্ট্রিল প্রটোকল
(গ) রামসার কনভেনশন
(ঘ) বাসেল কনভেনশন

✓ সঠিক উত্তর: খ) মন্ট্রিল প্রটোকল
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৮৭ সালের মন্ট্রিল প্রটোকল স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোনস্তর রক্ষার উদ্দেশ্যে ওজোন ক্ষয়কারী গ্যাস (CFC, হ্যালন) পর্যায়ক্রমে বন্ধের জন্য স্বাক্ষরিত হয়।
৪২. কিয়োটো প্রটোকল (Kyoto Protocol) কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়?
(ক) ১৯৯৭ সালে
(খ) ২০০০ সালে
(গ) ২০০২ সালে
(ঘ) ২০০৫ সালে

✓ সঠিক উত্তর: ঘ) ২০০৫ সালে
💡 ব্যাখ্যা: জাপানের কিয়োটোতে ১৯৯৭ সালে গৃহীত হলেও রাশিয়া কর্তৃক অনুমোদনের পর ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ তারিখে কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয়।
৪৩. ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কত নম্বর কপ (COP) সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল?
(ক) COP-15
(খ) COP-18
(গ) COP-21
(ঘ) COP-26

✓ সঠিক উত্তর: গ) COP-21
💡 ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের ২১তম অধিবেশন (COP-21)-এ প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়।
৪৪. জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা UNEP (United Nations Environment Programme)-এর সদর দপ্তর কোথায়?
(ক) জেনেভা
(খ) নাইরোবি, কেনিয়া
(গ) হেগ, নেদারল্যান্ডস
(ঘ) ভিয়েনা

✓ সঠিক উত্তর: খ) নাইরোবি, কেনিয়া
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে স্টকহোম সম্মেলনের পর গঠিত UNEP-এর আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
৪৫. আন্তর্জাতিক রেড ডাটা বুক (Red Data Book) কোন সংস্থা কর্তৃক সংকলিত ও প্রকাশিত হয়?
(ক) UNEP
(খ) WWF
(গ) IUCN
(ঘ) FAO

✓ সঠিক উত্তর: গ) IUCN
💡 ব্যাখ্যা: IUCN (International Union for Conservation of Nature) বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় ও বিপন্ন উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর পরিসংখ্যান নিয়ে রেড ডাটা বুক প্রকাশ করে।
৪৬. বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) কোন সালে নিজস্ব অর্থায়নে গঠন করা হয়?
(ক) ২০০৭ সালে
(খ) ২০০৯ সালে
(গ) ২০১২ সালে
(ঘ) ২০১৬ সালে

✓ সঠিক উত্তর: খ) ২০০৯ সালে
💡 ব্যাখ্যা: ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি প্রশমনে BCCTF গঠন করে এবং পরবর্তীতে ক্লাইমেট ট্রাস্ট অ্যাক্ট ২০১০ প্রণয়ন করে।
৪৭. প্রতি বছর বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (Earth Day) পালিত হয় কোন তারিখে?
(ক) ২১ মার্চ
(খ) ২২ এপ্রিল
(গ) ৫ জুন
(ঘ) ১৬ সেপ্টেম্বর

✓ সঠিক উত্তর: খ) ২২ এপ্রিল
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৭০ সাল থেকে প্রতি বছর ২২ এপ্রিল ধরিত্রী দিবস পালিত হয়ে আসছে। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস এবং ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবস।
৪৮. জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের আনুমানিক কত শতাংশ ভূমি নিমজ্জিত হতে পারে?
(ক) ৫-১০ শতাংশ
(খ) ১৫-১৮ শতাংশ
(গ) ২৫-৩০ শতাংশ
(ঘ) ৪০ শতাংশ

✓ সঠিক উত্তর: খ) ১৫-১৮ শতাংশ
💡 ব্যাখ্যা: IPCC-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ উপকূলীয় ভূভাগ স্থায়ীভাবে প্লাবিত হতে পারে।
৪৯. জীবাশ্ম জ্বালানি দহন ও রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে উৎপন্ন কোন গ্যাস অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য প্রধান ভূমিকা রাখে?
(ক) অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
(খ) সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx)
(গ) মিথেন ও হিলিয়াম
(ঘ) আর্গন ও নিয়ন

✓ সঠিক উত্তর: খ) সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx)
💡 ব্যাখ্যা: বাতাসে SO2 এবং NOx বৃষ্টির পানির সাথে মিশে যথাক্রমে সালফিউরিক অ্যাসিড এবং নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে বৃষ্টির পানির pH হ্রাস করে অ্যাসিড বৃষ্টি ঘটায়।
৫০. জেনেটিক্যালি মডিফাইড অর্গানিজম (LMOs/GMOs)-এর নিরাপদ ব্যবহার ও স্থানান্তর সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রটোকল কোনটি?
(ক) কিয়োটো প্রটোকল
(খ) মন্ট্রিল প্রটোকল
(গ) কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol)
(ঘ) নাগোয়া প্রটোকল

✓ সঠিক উত্তর: গ) কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol)
💡 ব্যাখ্যা: ২০০০ সালে গৃহীত এবং ২০০৩ সালে কার্যকর হওয়া কার্টাগেনা প্রটোকল অন বায়োসেফটি মূলত আধুনিক জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভাবিত পরিবর্তিত জীব (LMOs)-এর নিরাপদ ব্যবহারের আন্তর্জাতিক চুক্তি।
👨‍🏫
Mohammad Sakhaoat Hosain
Instructor (English), Hajiganj Government Technical School and College
Former Lecturer in English, Dhaka International University (DIU)

Related Articles

Back to top button