General ScienceJob Preparation

পৃথিবী ও মহাবিশ্ব: সৌরজগৎ, গ্রহ-উপগ্রহ, নক্ষত্র ও গ্যালাক্সি | সাধারণ বিজ্ঞান বিসিএস ও চাকরির প্রস্তুতি

🔬 সম্পূর্ণ সাধারণ বিজ্ঞান (General Science) সিরিজ সূচিপত্র:
পর্ব 1: ১. অণুজীব ও রোগ পর্ব 2: ২. মানবদেহ ও তন্ত্র পর্ব 3: ৩. পৃথিবী ও মহাবিশ্ব ★ পর্ব 4: ৪. বলবিদ্যা ও শক্তি পর্ব 5: ৫. জৈব ও অজৈব যৌগ পর্ব 6: ৬. পরমাণুর গঠন পর্ব 7: ৭. ব্যবহারিক রসায়ন পর্ব 8: ৮. তড়িৎ ও বিদ্যুৎ পর্ব 9: ৯. রাসায়নিক বিক্রিয়া পর্ব 10: ১০. অ্যাসিড ও ক্ষার পর্ব 11: ১১. আলো ও লেন্স পর্ব 12: ১২. মৌলিক কণা পর্ব 13: ১৩. বিজ্ঞানের উন্নয়ন পর্ব 14: ১৪. তরঙ্গ ও শব্দ পর্ব 15: ১৫. উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব পর্ব 16: ১৬. কোষ ও কোষ বিভাজন পর্ব 17: ১৭. তাপ ও তাপমাত্রা পর্ব 18: ১৮. জীবজগৎ পর্ব 19: ১৯. ইলেকট্রনিক্স পর্ব 20: ২০. চৌম্বকত্ব পর্ব 21: ২১. টিস্যু ও কলা পর্ব 22: ২২. জৈবভৌত ধর্ম পর্ব 23: ২৩. পদার্থের অবস্থা পর্ব 24: ২৪. রাশি ও পরিমাপ পর্ব 25: ২৫. ভিটামিন ও খনিজ পর্ব 26: ২৬. খাদ্য ও পুষ্টি পর্ব 27: ২৭. রক্ত ও ব্লাড গ্রুপ পর্ব 28: ২৮. হরমোন ও গ্রন্থি পর্ব 29: ২৯. জিনতত্ত্ব ও DNA পর্ব 30: ৩০. প্রজননতন্ত্র পর্ব 31: ৩১. জীবাণু ও পরজীবী পর্ব 32: ৩২. চিকিৎসা প্রযুক্তি পর্ব 33: ৩৩. বাস্তুতন্ত্র পর্ব 34: ৩৪. দূষণ ও গ্রিনহাউস পর্ব 35: ৩৫. পানি ও পানিচক্র পর্ব 36: ৩৬. ধাতু ও সংকর ধাতু পর্ব 37: ৩৭. পর্যায় সারণি পর্ব 38: ৩৮. জ্বালানি ও দহন পর্ব 39: ৩৯. দৈনন্দিন পদার্থবিজ্ঞান পর্ব 40: ৪০. বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্ব 41: ৪১. পারমাণবিক শক্তি পর্ব 42: ৪২. আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্ব 43: ৪৩. আবিষ্কার ও আবিষ্কারক পর্ব 44: ৪৪. বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি

For competitive job exams (BCS, Bank, Primary), mastering পৃথিবী ও সৌরজগতের জ্যোতির্বিজ্ঞান is essential for scoring high. In this comprehensive study guide, all core rules, classification charts, and solved previous exam questions of পৃথিবী ও সৌরজগতের জ্যোতির্বিজ্ঞান are explained below.

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy) মহাবিশ্বের উৎপত্তি, সৌরজগতের কাঠামো, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি ও মহাজাগতিক বস্তুসমূহ নিয়ে বিশদ আলোচনা করে। বিসিএস প্রিলিমিনারি সিলেবাসে ‘ভৌত বিজ্ঞান’ অংশের সৌরজগৎ ও মহাবিশ্ব একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও নম্বর তোলার মতো টপিক।


১. পৃথিবী ও সৌরজগতের জ্যোতির্বিজ্ঞান: মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও পরিমাপের একক

  • বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory): মহাবিশ্বের সৃষ্টি সম্পর্কিত সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব। বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী জর্জেস লেমাইত্রে (Georges Lemaître) ১৯২৭ সালে এটি প্রথম প্রস্তাব করেন এবং পরবর্তীতে এডউইন হাবল গ্যালাক্সিসমূহের দূরত্ব ও প্রসারণ প্রমাণ করেন।
  • মহাজাগতিক পরিমাপের এককসমূহ:

1. জ্যোতির্বিদ্যা একক (Astronomical Unit – AU): পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব (প্রায় ১৪ কোটি ৯৬ লক্ষ কিমি বা ১৫ কোটি কিমি)।
2. আলোকবর্ষ (Light Year): আলো শূন্য মাধ্যমে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে।

  • ১ আলোকবর্ষ = $9.46 \times 10^{12}$ কিমি (বা $9.46 \times 10^{15}$ মিটার)।

3. পারসেক (Parsec): জ্যোতির্বিদ্যার বৃহত্তম দূরত্বের একক।

  • ১ পারসেক = ৩.২৬ আলোকবর্ষ।

4. আলোর গতি: শূন্য মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার ($3 \times 10^8$ m/s)। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড (বা প্রায় ৫০০ সেকেন্ড)।


২. সৌরজগৎ (Solar System)

সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে সূর্য, যাকে কেন্দ্র করে ৮টি প্রধান গ্রহ, ৫টি স্বীকৃত বামন গ্রহ এবং কোটি কোটি গ্রহাণু ও ধূমকেতু আবর্তিত হচ্ছে।

সূর্য (The Sun):

  • সৌরজগতের মোট ভরের প্রায় ৯৯.৮৬% সূর্যের দখলে।
  • সূর্যের প্রধান উপাদান: হাইড্রোজেন (প্রায় ৭৩%) ও হিলিয়াম (প্রায় ২৫%)।
  • শক্তির উৎস: নিউক্লিয়ার ফিউশন (Nuclear Fusion) বিক্রিয়া, যেখানে উচ্চ চাপ ও তাপে হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠন করে বিপুল তাপ ও আলোকশক্তি নির্গত করে।

—

৩. সৌরজগতের আটটি গ্রহ: তুলনামূলক বিশ্লেষণ

🔬 ইনফোগ্রাফিক মেমোরি কার্ড:
ইনফোগ্রাফিক মেমোরি কার্ড: সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে গ্রহসমূহ

ছন্দ: “My Very Educated Mother Just Served Us Noodles”

– M = Mercury (বুধ)

– V = Venus (শুক্র)

– E = Earth (পৃথিবী)

– M = Mars (মঙ্গল)

– J = Jupiter (বৃহস্পতি)

– S = Saturn (শনি)

– U = Uranus (ইউরেনাস)

– N = Neptune (নেপচুন)

(প্লুটোকে ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন – IAU বামন গ্রহ হিসেবে ঘোষণা করে)

গ্রহের নাম বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও উপাধি উপগ্রহ সংখ্যা আবর্তন ও পরিক্রমণ
বুধ (Mercury) সূর্যের নিকটতম ও সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। বায়ুমণ্ডল নেই। ০ টি পরিক্রমণকাল মাত্র ৮৮ দিন
শুক্র (Venus) সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ (গ্রিনহাউস প্রভাব, ৯৬% CO2)। একে ‘শুকতারা’ বা ‘সন্ধ্যাতারা’ বলা হয়। পূর্ব থেকে পশ্চিমে আবর্তিত হয়। ০ টি নিজের অক্ষে ঘুরতে সময় নেয় ২৪৩ দিন
পৃথিবী (Earth) একমাত্র প্রাণধারণযোগ্য গ্রহ। গড় ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। ১ টি (চাঁদ) ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড
মঙ্গল (Mars) ‘লাল গ্রহ’ (Red Planet), পৃষ্ঠে আয়রন অক্সাইডের আধিক্য। অলিম্পাস মনস (সৌরজগতের সর্বোচ্চ পর্বত) এখানে অবস্থিত। ২ টি (ফোবোস ও ডিমোস) ৬৮৭ দিন
বৃহস্পতি (Jupiter) সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ (‘গ্রহরাজ’)। এতে বিশাল ঝড় ‘Great Red Spot’ রয়েছে। ৯৫ টি (গ্যানিমিড বৃহত্তম) দ্রুততম নিজ অক্ষে আবর্তন (প্রায় ১০ ঘণ্টা)
শনি (Saturn) দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। বরফ ও ধূলিকণার তৈরি আকর্ষণীয় উজ্জ্বল বলয় (Rings) রয়েছে। টাইটান এর প্রধান উপগ্রহ। ১৪৬ টি (সর্বাধিক) পরিক্রমণকাল ২৯.৫ বছর
ইউরেনাস (Uranus) সবুজ গ্রহ (মিথেন গ্যাসের কারণে)। উইলিয়াম হার্শেল আবিষ্কার করেন। ২৮ টি নিজের অক্ষে ৯০ ডিগ্রি হেলে ঘোরে
নেপচুন (Neptune) সূর্যের সবচেয়ে দূরবর্তী ও শীতলতম গ্যাসীয় গ্রহ। ১৬ টি (ট্রাইটন প্রধান) ১৬৫ বছরে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে

৪. অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তু

  • বামন গ্রহ (Dwarf Planet): প্লুটো (Pluto), সেরেস (Ceres), এরিস (Eris), হাউমিয়া ও মাকেমাকে।
  • গ্রহাণু বেল্ট (Asteroid Belt): মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অসংখ্য পাথুরে গ্রহাণুর বলয় অবস্থিত।
  • ধূমকেতু (Comet): ধূলিকণা, বরফ ও জমে থাকা গ্যাসের তৈরি ঝাঁটার মতো উজ্জ্বল পুচ্ছবিশিষ্ট জ্যোতিষ্ক।
  • হ্যালির ধূমকেতু: প্রতি ৭৬ বছর পর পর দেখা যায় (সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল, আবার ২০৬২ সালে দেখা যাবে)।
  • কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল (Black Hole): অত্যন্ত শক্তিশালী মহাকর্ষীয় বলবিশিষ্ট অঞ্চল যা থেকে কোনো বস্তু এমনকি আলোও বের হতে পারে না। এর সীমান্তকে ‘ঘটনা দিগন্ত’ (Event Horizon) বলা হয়।

—

বিগত বিসিএস ও চাকরির প্রশ্নব্যাংক

১. সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে?

  • উত্তর: ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড (বা প্রায় ৫০০ সেকেন্ড) [৪৪তম বিসিএস, ৩১তম বিসিএস]।

২. সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ কোনটি?

  • উত্তর: শুক্র (Venus) [৪১তম বিসিএস]।

৩. হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?

  • উত্তর: ৭৬ বছর [৪০তম বিসিএস, ২৭তম বিসিএস]।

৪. মঙ্গল গ্রহের দুটি উপগ্রহের নাম কী?

  • উত্তর: ফোবোস ও ডিমোস [৩৮তম বিসিএস]।

৫. সূর্যের শক্তির মূল উৎস কোন বিক্রিয়া?

  • উত্তর: নিউক্লিয়ার ফিউশন (Nuclear Fusion) [৩৬তম বিসিএস]।

📝 বিগত নিয়োগ পরীক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন প্রশ্নব্যাংক (MCQ)

০১. সৌরজগতের কোন গ্রহের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে?
(ক) বৃহস্পতি
(খ) শনি
(গ) ইউরেনাস
(ঘ) নেপচুন

✓ সঠিক উত্তর: খ) শনি
💡 ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শনি গ্রহের উপগ্রহ সংখ্যা ১৪৬টি, যা সৌরজগতের যেকোনো গ্রহের চেয়ে সর্বাধিক।
০২. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র (পৃথিবী ছাড়া) কোনটি?
(ক) সিরিয়াস
(খ) প্রক্সিমা সেন্টোরাই
(গ) আলফা সেন্টোরাই
(ঘ) ভেগা

✓ সঠিক উত্তর: খ) প্রক্সিমা সেন্টোরাই
💡 ব্যাখ্যা: সূর্য ছাড়া আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হলো প্রক্সিমা সেন্টোরাই (দূরত্ব প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ)।
০৩. শুক্র গ্রহ সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ হওয়ার কারণ কী?
(ক) সূর্যের নিকটতম গ্রহ হওয়ায়
(খ) বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতিতে তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব
(গ) পৃষ্ঠে প্রচুর লাভা উদগিরণ থাকায়
(ঘ) দ্রুত আবর্তনের ঘর্ষণে

✓ সঠিক উত্তর: খ) বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতিতে তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব
💡 ব্যাখ্যা: শুক্রের বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯৬% কার্বন ডাই-অক্সাইড। এটি সূর্যের তাপ আটকে ফেলে তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে, ফলে তাপমাত্রা প্রায় ৪৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে।
০৪. জ্যোতির্বিজ্ঞানের দূরত্বের বৃহত্তম একক কোনটি?
(ক) আলোকবর্ষ
(খ) পারসেক
(গ) জ্যোতির্বিদ্যা একক (AU)
(ঘ) কিলোমিটার

✓ সঠিক উত্তর: খ) পারসেক
💡 ব্যাখ্যা: ১ পারসেক = ৩.২৬ আলোকবর্ষ বা প্রায় ৩.০৮ × ১০^১৩ কিলোমিটার, যা জ্যোতির্বিদ্যার দূরত্বের বৃহত্তম ব্যবহারিক একক।
০৫. হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ কত সালে আকাশে দেখা গিয়েছিল?
(ক) ১৯১০
(খ) ১৯৭৬
(গ) ১৯৮৬
(ঘ) ১৯৯৬

✓ সঠিক উত্তর: গ) ১৯৮৬
💡 ব্যাখ্যা: হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল এবং ৭৬ বছরের পরিক্রমণ চক্র শেষে আবার ২০৬২ সালে দৃশ্যমান হবে।
🔬 সম্পূর্ণ সাধারণ বিজ্ঞান (General Science) সিরিজ সূচিপত্র:
পর্ব 1: ১. অণুজীব ও রোগ পর্ব 2: ২. মানবদেহ ও তন্ত্র পর্ব 3: ৩. পৃথিবী ও মহাবিশ্ব ★ পর্ব 4: ৪. বলবিদ্যা ও শক্তি পর্ব 5: ৫. জৈব ও অজৈব যৌগ পর্ব 6: ৬. পরমাণুর গঠন পর্ব 7: ৭. ব্যবহারিক রসায়ন পর্ব 8: ৮. তড়িৎ ও বিদ্যুৎ পর্ব 9: ৯. রাসায়নিক বিক্রিয়া পর্ব 10: ১০. অ্যাসিড ও ক্ষার পর্ব 11: ১১. আলো ও লেন্স পর্ব 12: ১২. মৌলিক কণা পর্ব 13: ১৩. বিজ্ঞানের উন্নয়ন পর্ব 14: ১৪. তরঙ্গ ও শব্দ পর্ব 15: ১৫. উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব পর্ব 16: ১৬. কোষ ও কোষ বিভাজন পর্ব 17: ১৭. তাপ ও তাপমাত্রা পর্ব 18: ১৮. জীবজগৎ পর্ব 19: ১৯. ইলেকট্রনিক্স পর্ব 20: ২০. চৌম্বকত্ব পর্ব 21: ২১. টিস্যু ও কলা পর্ব 22: ২২. জৈবভৌত ধর্ম পর্ব 23: ২৩. পদার্থের অবস্থা পর্ব 24: ২৪. রাশি ও পরিমাপ পর্ব 25: ২৫. ভিটামিন ও খনিজ পর্ব 26: ২৬. খাদ্য ও পুষ্টি পর্ব 27: ২৭. রক্ত ও ব্লাড গ্রুপ পর্ব 28: ২৮. হরমোন ও গ্রন্থি পর্ব 29: ২৯. জিনতত্ত্ব ও DNA পর্ব 30: ৩০. প্রজননতন্ত্র পর্ব 31: ৩১. জীবাণু ও পরজীবী পর্ব 32: ৩২. চিকিৎসা প্রযুক্তি পর্ব 33: ৩৩. বাস্তুতন্ত্র পর্ব 34: ৩৪. দূষণ ও গ্রিনহাউস পর্ব 35: ৩৫. পানি ও পানিচক্র পর্ব 36: ৩৬. ধাতু ও সংকর ধাতু পর্ব 37: ৩৭. পর্যায় সারণি পর্ব 38: ৩৮. জ্বালানি ও দহন পর্ব 39: ৩৯. দৈনন্দিন পদার্থবিজ্ঞান পর্ব 40: ৪০. বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্ব 41: ৪১. পারমাণবিক শক্তি পর্ব 42: ৪২. আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্ব 43: ৪৩. আবিষ্কার ও আবিষ্কারক পর্ব 44: ৪৪. বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি
👨‍🏫
Mohammad Sakhaoat Hosain
Instructor (English), Hajiganj Government Technical School and College
Former Lecturer in English, Dhaka International University (DIU)

Related Articles

Back to top button