Geography, Environment & Disaster ManagementJob Preparation

অধ্যায় ৪: বাংলাদেশের পরিবেশ, প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ | বিসিএস ও চাকরির ভূগোল

For competitive job exams (BCS, Bank, Primary), mastering বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি নদ-নদী বনজ সম্পদ খনিজ সম্পদ is essential for scoring high. In this comprehensive study guide, all core rules, classification charts, and solved previous exam questions of বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি নদ-নদী বনজ সম্পদ খনিজ সম্পদ are explained below.

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, নদীজালিকা, বনাঞ্চল এবং খনিজ সম্পদ জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল নিয়ামক। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ‘বাংলাদেশের পরিবেশ, প্রকৃতি ও সম্পদ’ পরিচ্ছেদ থেকে ২ নম্বর নিশ্চিত থাকে। টারশিয়ারি পাহাড়, প্লাইস্টোসিন সোপান, নদীসমূহের উৎপত্তিস্থল ও সুন্দরবন থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে।


১. বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি নদ-নদী বনজ সম্পদ খনিজ সম্পদ: বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি ও প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল

ভূতাত্ত্বিক গঠন ও ভূরূপের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধান ৩টি ভাগে বিভক্ত করা হয়:

🔬 ইনফোগ্রাফিক মেমোরি কার্ড:
ইনফোগ্রাফিক মেমোরি কার্ড: বাংলাদেশের ৩টি ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলের তুলনামূলক চার্ট

| ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল | দেশের মোট আয়তনের ভাগ | গঠিত হওয়ার সময়কাল | প্রধান অঞ্চল ও বৈশিষ্ট্য |

| :— | :— | :— | :— |

| ১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ | ১২% | প্রায় ২ কোটি বছর আগে (হিমালয় সৃষ্টির সমসাময়িক) | পাহাড়ি অঞ্চল (উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল)। বেলেপাথর, শেল ও কয়লা সমৃদ্ধ। |

| ২. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানসমূহ| ৮% | প্রায় ২৫,০০০ বছর আগে (বরফ গলে সৃষ্ট আন্তঃবরফ যুগ)| বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। লালচে ও ধূসর রঙের কঙ্করযুক্ত মাটি। |

| ৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি | ৮০% (সিংহভাগ)| নদী দ্বারা পলি সঞ্চয়ের মাধ্যমে গঠিত | গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকা। উর্বর দোআঁশ ও পলিমাটি, কৃষির জন্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। |


২. পাহাড় ও সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গসমূহ

  • দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় (পার্বত্য চট্টগ্রাম):
  • তাজিংডং বা বিজয় (Bijoy): সরকারি তথ্যমতে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ (উচ্চতা প্রায় ১,২৮০ মিটার বা ৪,১৯৮ ফুট)।
  • কেওক্রাডং (Keokradong): উচ্চতা প্রায় ৯৮৬ মিটার (বান্দরবান)।
  • সাকা হাফং (মোদক তং): ট্রেকারদের জিপিএস পরিমাপে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ দাবি করা হয় (১,০৫২ মিটার)।
  • চন্দ্রনাথ পাহাড়: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।
  • উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়:
  • সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, শেরপুর ও নেত্রকোণা অঞ্চলের টিলাশ্রেণি (গড় উচ্চতা ৩০-৯০ মিটার)। চিকারগুল পাহাড় ও খাসিয়া-জয়ন্তীয়া পাহাড়ের অংশ।

—

৩. প্লাইস্টোসিন সোপানের তিনটি অঞ্চল

1. বরেন্দ্রভূমি: রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিমি এলাকা। মাটি লাল ও কাঁকড়যুক্ত।
2. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিমি এলাকা। বিখ্যাত শালবনের অবস্থান।
3. লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ৩৪ বর্গকিমি পাহাড়ি ঢিবি (গড় উচ্চতা ২১ মিটার)।


৪. বাংলাদেশের প্রধান নদ-নদী ও অববাহিকা

বাংলাদেশ প্রায় ৭০০-এর অধিক নদী ও শাখানদীর সমন্বয়ে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় ব-দ্বীপ।

  • আন্তর্জাতিক ও অভিন্ন নদী:
  • মোট আন্তঃসীমান্ত নদী: ৫৭টি (ভারতের সাথে ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি—নাফ, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী)।
  • প্রধান নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ও মিলনস্থল:
  • পদ্মা: তিব্বতের হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নামে উৎপন্ন হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
  • যমুনা (ব্রহ্মপুত্র): তিব্বতের মানস সরোবরের চেমায়ুংদুং হিমবাহ থেকে সাংপো নামে উৎপন্ন হয়ে কুড়িগ্রাম দিয়ে প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
  • মেঘনা: আসামের লুসাই পাহাড় থেকে বরাক নদী নামে উৎপন্ন হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে সুনামগঞ্জে কালনী এবং ভৈরবে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
  • পদ্মা ও মেঘনার মিলন: চাঁদপুরে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
  • কর্ণফুলী নদী: মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এর মোহনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।

—

৫. বনজ সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য

  • দেশে বর্তমানে বনায়নের পরিমাণ প্রায় ১৫.৫৮% (বাস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য প্রয়োজন ২৫%)।
  • সুন্দরবন (Sundarbans):
  • বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বন (মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি; যার ৬২% বাংলাদেশে এবং ৩৮% ভারতে)।
  • ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage Site) ঘোষণা করে।
  • ১৯৯২ সালে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (Ramsar Site) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
  • প্রধান বৃক্ষ: সুন্দরী, গেওয়া, গরান, পশুর ও গোলপাতা। প্রধান প্রাণী: রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রা হরিণ।

—

৬. খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ

  • প্রাকৃতিক গ্যাস: প্রধান জ্বালানি সম্পদ। মোট আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি (সর্বশেষ ইলিশা-১, ভোলা)।
  • প্রথম গ্যাস আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে হরিপুর, সিলেটে।
  • সমুদ্রের গ্যাসক্ষেত্র: সাঙ্গু (কুতুবদিয়া)।
  • কয়লা: বড়পুকুরিয়া (দিনাজপুর – দেশের একমাত্র সক্রিয় কয়লা খনি), খালাশপীর (রংপুর), দীঘিপাড়া (দিনাজপুর), জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট – দেশের বৃহত্তম কয়লা ক্ষেত্র)।
  • কঠিন শিলা ও চুনাপাথর: মধ্যপাড়া (দিনাজপুর – কঠিন শিলা খনি), টেকেরঘাট (সুনামগঞ্জ – চুনাপাথর), জয়পুরহাট।
  • সাদা মাটি বা চীনামাটি: বিজয়পুর (নেত্রকোণা)।

—

৭. Important Facts (দ্রুত রিভিশন চার্ট)

বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিসংখ্যান
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল চাঁদপুর
মিয়ানমারের সাথে অভিন্ন ৩টি নদী নাফ, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী
সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিমি (মোট সুন্দরবনের ৬২%)
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে সুন্দরবন ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর (৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য)
দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র হরিপুর, সিলেট (১৯৫৫ সাল)
চীনামাটির খনি বিজয়পুর, নেত্রকোণা

৮. Summary (পরীক্ষার আগে দ্রুত দেখে নেওয়ার নোট)

  • বাংলাদেশের ৮০% অঞ্চল সাম্প্রতিক প্লাবন সমভূমি, ১২% টারশিয়ারি পাহাড় এবং ৮% প্লাইস্টোসিন সোপান।
  • তাজিংডং বা বিজয় সরকারিভাবে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (১,২৮০ মিটার)।
  • মোট আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৭টি (ভারতের সাথে ৫৪টি, মিয়ানমারের সাথে ৩টি)।
  • পদ্মা ও যমুনা মিলিত হয় গোয়ালন্দে এবং পদ্মা ও মেঘনা মিলিত হয় চাঁদপুরে।
  • সুন্দরবনের ৬২% বাংলাদেশে; ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য ও ১৯৯২ সালে রামসার সাইট ঘোষিত হয়।
  • দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় দেশের একমাত্র কয়লা খনি ও মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি অবস্থিত।

—

৯. বিগত বিসিএস ও চাকরির প্রশ্নব্যাংক

১. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অন্তর্গত?

  • উত্তর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়সমূহ [৪৪তম বিসিএস, ৩১তম বিসিএস]।

২. পদ্মা ও যমুনা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?

  • উত্তর: গোয়ালন্দ [৪৩তম বিসিএস, ৩৫তম বিসিএস]।

৩. বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের অভিন্ন নদী কয়টি ও কী কী?

  • উত্তর: ৩টি (নাফ, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী) [৪২তম বিসিএস, ২৯তম বিসিএস]।

৪. সুন্দরবন ইউনেস্কোর কততম বিশ্ব ঐতিহ্য এবং কত সালে ঘোষিত হয়?

  • উত্তর: ১৯৯৭ সালে (৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য) [৪১তম বিসিএস]।

৫. বাংলাদেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?

  • উত্তর: বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর [৪০তম বিসিএস]।

৬. বিজয়পুর চীনামাটির খনি কোন জেলায় অবস্থিত?

  • উত্তর: নেত্রকোণা জেলায় [৩৮তম বিসিএস]।

📝 বিগত নিয়োগ পরীক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ মডেল MCQ প্রশ্নব্যাংক

০১. বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বরেন্দ্রভূমি ও মধুপুরের গড় কোন সময়ের ভূমিরূপ?
(ক) টারশিয়ারি যুগ
(খ) প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
(গ) সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
(ঘ) জুরাসিক যুগ

✓ সঠিক উত্তর: খ) প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
💡 ব্যাখ্যা: আজ থেকে প্রায় ২৫ হাজার বছর আগের প্লাইস্টোসিন আন্তঃবরফ যুগে নদীবাহিত পলি জমে বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও লালমাই পাহাড় গঠিত হয়।
০২. বাংলাদেশের সীমানায় ভারত ব্যতীত অন্য কোন প্রতিবেশী দেশের সাথে অভিন্ন ৩টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে?
(ক) ভুটান
(খ) নেপাল
(গ) মিয়ানমার
(ঘ) চীন

✓ সঠিক উত্তর: গ) মিয়ানমার
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মোট ৫৭টি আন্তর্জাতিক নদীর মধ্যে ৫৪টি ভারতের সাথে এবং ৩টি (নাফ, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী) মিয়ানমারের সাথে অভিন্ন।
০৩. পদ্মা ও যমুনা নদী দুটি কোন স্থানে এসে পরস্পরের সাথে মিলিত হয়েছে?
(ক) ভৈরব
(খ) চাঁদপুর
(গ) গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
(ঘ) মুন্সীগঞ্জ

✓ সঠিক উত্তর: গ) গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
💡 ব্যাখ্যা: কুষ্টিয়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে আসা পদ্মা নদী রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাটের কাছে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
০৪. ইউনেস্কো কত সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage Site) হিসেবে ঘোষণা করে?
(ক) ১৯৯২
(খ) ১৯৯৭
(গ) ১৯৯৯
(ঘ) ২০০১

✓ সঠিক উত্তর: খ) ১৯৯৭
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এটিকে বিশ্বের ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে।
০৫. বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কঠিন শিলার (Hard Rock) খনিটি কোন জেলায় অবস্থিত?
(ক) সিলেটের জাফলং
(খ) দিনাজপুরের মধ্যপাড়া
(গ) নেত্রকোণার বিজয়পুর
(ঘ) কক্সবাজার

✓ সঠিক উত্তর: খ) দিনাজপুরের মধ্যপাড়া
💡 ব্যাখ্যা: দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট কঠিন শিলা খনি থেকে রেলপথ, সেতু ও সড়ক নির্মাণের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার টন শক্ত পাথর উত্তোলিত হয়।
০৬. ব্রহ্মপুত্র নদ ১৭৮৭ সালের প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের পর গতিপথ পরিবর্তন করে নতুন কোন নদী হিসেবে প্রবাহিত হওয়া শুরু করে?
(ক) মেঘনা
(খ) যমুনা
(গ) ধলেশ্বরী
(ঘ) শীতলক্ষ্যা

✓ সঠিক উত্তর: খ) যমুনা
💡 ব্যাখ্যা: ১৭৮৭ সালের আসামের ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যায় মূল ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উঁচু হয়ে জলধারা যমুনা নদী দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
০৭. বাংলাদেশের চীনামাটি বা সাদা মাটির সবচেয়ে বড় খনিটি কোন উপজেলায় অবস্থিত?
(ক) টেকেরঘাট, সুনামগঞ্জ
(খ) বিজয়পুর, দুর্গাপুর (নেত্রকোণা)
(গ) জাফলং, সিলেট
(ঘ) ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া

✓ সঠিক উত্তর: খ) বিজয়পুর, দুর্গাপুর (নেত্রকোণা)
💡 ব্যাখ্যা: নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে উন্নতমানের সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল চীনামাটি ও সাদা মাটির পাহাড় রয়েছে।
০৮. সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ “তাজিংডং” (বিজয়) কোন জেলায় অবস্থিত?
(ক) রাঙ্গামাটি
(খ) খাগড়াছড়ি
(গ) বান্দরবান
(ঘ) কক্সবাজার

✓ সঠিক উত্তর: গ) বান্দরবান
💡 ব্যাখ্যা: বান্দরবানের রুমা উপজেলায় তাজিংডং বা বিজয় অবস্থিত যার উচ্চতা প্রায় ১,২৮০ মিটার।
০৯. বাংলাদেশের ভূখণ্ডের প্রায় কত শতাংশ এলাকা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত?
(ক) ১২%
(খ) ৮%
(গ) ৫০%
(ঘ) ৮০%

✓ সঠিক উত্তর: ঘ) ৮০%
💡 ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মোট আয়তনের প্রায় ৮০% এলাকা অসংখ্য নদী দ্বারা বাহিত পলিমাটি দিয়ে গঠিত সমতল প্লাবনভূমি।
১০. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ের প্রধান প্রাকৃতিক বৃক্ষ কোনটি?
(ক) সুন্দরী গাছ
(খ) শাল বা গজারি গাছ
(গ) সেগুন গাছ
(ঘ) মেহগনি

✓ সঠিক উত্তর: খ) শাল বা গজারি গাছ
💡 ব্যাখ্যা: টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ময়মনসিংহের মধুপুর-ভাওয়াল অঞ্চল বিখ্যাত ক্রান্তীয় পত্রঝরা শালবনের জন্য পরিচিত।
👨‍🏫
Mohammad Sakhaoat Hosain
Instructor (English), Hajiganj Government Technical School and College
Former Lecturer in English, Dhaka International University (DIU)

Related Articles

Back to top button