স্পেশাল মানসিক দক্ষতা (পর্ব ১): চিত্র গণনা, প্রতিবিম্ব, ঘড়ি ও ক্যালেন্ডারের শর্টকাট টেকনিক | বিসিএস মানসিক দক্ষতা
বিসিএস প্রিলিমিনারি ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ পরীক্ষায় মানসিক দক্ষতা (১৫ নম্বর) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশে ভালো করতে হলে প্রথাগত নিয়মে সময় নষ্ট না করে পরীক্ষিত শর্টকাট মেথড ও চিত্রভিত্তিক টেকনিক জানা আবশ্যক। এই পর্বে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও চাকরির সিলেবাসভিত্তিক চিত্র গণনা (বর্গ, আয়ত, রম্বস, ত্রিভুজ), দর্পণ ও পানি প্রতিবিম্ব, ঘড়ির কোণ ও সময় এবং ক্যালেন্ডারের সব ম্যাজিক শর্টকাট একদম ভেঙে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হলো।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!—
১. বর্গ, আয়ত, চতুর্ভুজ ও রম্বস নির্ণয়ের ম্যাজিক শর্টকাট
পরীক্ষায় কোনো জ্যামিতিক গ্রিড দেওয়া থাকলে প্রথাগতভাবে একটা একটা করে গুণতে গেলে প্রচুর সময় নষ্ট হয় এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নিচে পরীক্ষিত ৩টি জাদুকরী নিয়ম দেওয়া হলো:
নিয়ম ১.১: উভয় দিকে ঘরের সংখ্যা সমান হলে (Square Grid)
যখন সারি (Row) এবং কলাম (Column) এর সংখ্যা সমান হয় (যেমন: ২×২, ৩×৩, ৪×৪ গ্রিড):
১. বর্গ সংখ্যা নির্ণয়: ঘরের সংখ্যাগুলোর বর্গের সমষ্টি বর্গ সংখ্যা = ১^২ + ২^২ + ৩^২ + ... + n^২২. চতুর্ভুজ সংখ্যা নির্ণয়: ঘরের সংখ্যাগুলোর ঘনের (Cubes) সমষ্টি
চতুর্ভুজ সংখ্যা = ১^৩ + ২^৩ + ৩^৩ + ... + n^৩৩. আয়ত সংখ্যা নির্ণয়: মোট চতুর্ভুজ সংখ্যা থেকে বর্গ সংখ্যা বিয়োগ
আয়ত সংখ্যা = চতুর্ভুজ সংখ্যা - বর্গ সংখ্যা
- ২×২ গ্রিড উদাহরণ:
* বর্গ = ১^২ + ২^২ = ১ + ৪ = ৫টি
* চতুর্ভুজ = ১^৩ + ২^৩ = ১ + ৮ = ৯টি
* আয়ত = ৯ – ৫ = ৪টি - ৩×৩ গ্রিড উদাহরণ:
* বর্গ = ১^২ + ২^২ + ৩^২ = ১ + ৪ + ৯ = ১৪টি
* চতুর্ভুজ = ১^৩ + ২^৩ + ৩^৩ = ১ + ৮ + ২৭ = ৩৬টি
* আয়ত = ৩৬ – ১৪ = ২২টি - ৪×৪ গ্রিড (বিগত ৩৮তম ও ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি):
* বর্গ = ১^২ + ২^২ + ৩^২ + ৪^২ = ১ + ৪ + ৯ + ১৬ = ৩০টি!
—
নিয়ম ১.২: সারি ও কলামে ঘরের সংখ্যা সমান না হলে (অসমান গ্রিড)
যখন সারি ও কলাম অসমান (যেমন: ৩টি সারি ও ৪টি কলাম বা ৩টি সারি ও ৫টি কলাম):
- বর্গ নির্ণয়ের টেকনিক:
সবচেয়ে বড় দুটি সংখ্যার গুণফল দিয়ে শুরু করে প্রতি পদে ১ করে কমিয়ে শূন্য না হওয়া পর্যন্ত গুণফলগুলোর যোগফল নিতে হবে (শেষেরটার সাথে শেষেরটা, আগেরটার সাথে আগেরটা):
* ৩×৪ গ্রিডে বর্গ সংখ্যা:
(৩ × ৪) + (২ × ৩) + (১ × ২) = ১২ + ৬ + ২ = ২০টি
* ৩×৫ গ্রিডে বর্গ সংখ্যা:
(৩ × ৫) + (২ × ৪) + (১ × ৩) = ১৫ + ৮ + ৩ = ২৬টি
* ৬×৩ গ্রিডে বর্গ সংখ্যা:
(৬ × ৩) + (৫ × ২) + (৪ × ১) = ১৮ + ১০ + ৪ = ৩২টি
*(নোট: বাকি ঘরগুলো Extra থাকলে বাদ যাবে)*
- আয়ত সংখ্যা নির্ণয়ের টেকনিক (যেকোনো গ্রিডের জন্য সর্বজনীন):
আয়ত সংখ্যা = (সারির ক্রমিক যোগফল) × (কলামের ক্রমিক যোগফল)
- ১×৪ গ্রিডে: (১ + ২ + ৩ + ৪) × ১ = ১০ × ১ = ১০টি
* ২×৩ গ্রিডে: (১ + ২) × (১ + ২ + ৩) = ৩ × ৬ = ১৮টি
* ৩×৩ গ্রিডে: (১ + ২ + ৩) × (১ + ২ + ৩) = ৬ × ৬ = ৩৬টি
* বিসিএস স্পেশাল প্রশ্ন: “If four parallel lines are intersected by three perpendicular lines, how many rectangles are formed?”
* ৪টি সমান্তরাল রেখা তৈরি করে ৩টি সারি (১ + ২ + ৩ = ৬)
* ৩টি লম্ব রেখা তৈরি করে ২টি কলাম (১ + ২ = ৩)
* মোট আয়তক্ষেত্র = ৬ × ৩ = ১৮টি!
—
২. ত্রিভুজ গণনার ম্যাজিক শর্টকাট (Counting Triangles)
নিয়ম ২.১: ১টি শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুতে রেখা টানলে
বিপরীত বাহুতে যতটি খণ্ড তৈরি হয় সেগুলোতে ক্রমিক নম্বর (১, ২, ৩…) বসিয়ে যোগ করতে হবে:
- যদি ত্রিভুজটিতে অনুভূমিক বা সমান্তরাল রেখা থাকে, তবে ভূমির যোগফলকে সমান্তরাল রেখার সংখ্যা দ্বারা গুণ করতে হবে:
* ৩টি খণ্ড ও ৩টি সমান্তরাল রেখা থাকলে: (১ + ২ + ৩) × ৩ = ৬ × ৩ = ১৮টি
* ৫টি খণ্ড ও ৩টি সমান্তরাল রেখা থাকলে: (১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫) × ৩ = ১৫ × ৩ = ৪৫টি
* ৬টি খণ্ড ও ৪টি সমান্তরাল রেখা থাকলে: ২১ × ৪ = ৮৪টি
নিয়ম ২.২: ত্রিভুজের ভেতর উল্টো ত্রিভুজ থাকলে
* মূল ত্রিভুজের পেটে ১টি উল্টো ত্রিভুজ প্রবেশ করালে ভেতরে ৪টি ও বাইরে ১টি মিলে **মোট ৫টি ত্রিভুজ** হয়।
* এরপর ভেতরে প্রতি নতুন ত্রিভুজের জন্য **৪টি করে যোগ হবে**:
* ১টি ভেতরে থাকলে: ৫টি
* ২টি ভেতরে থাকলে: ৫ + ৪ = ৯টি
* ৩টি ভেতরে থাকলে: ৫ + ৪ + ৪ = ১৩টি
* ৪টি ভেতরে থাকলে: ৫ + ৪ + ৪ + ৪ = ১৭টি
নিয়ম ২.৩: শীর্ষবিন্দু থেকে মধ্যমা রেখা টানলে (বিগত ৩২তম বিসিএস)
* ৩টি শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুতে ৩টি পূর্ণ মধ্যমা পরস্পরকে ছেদ করলে ত্রিভুজ সংখ্যা:
২ × (২ × ২ × ২) = ১৬টি
* যদি কোনো রেখা আংশিক থাকে (অর্ধেক রেখা), তবে প্রতি অর্ধেক রেখার জন্য **২টি করে যোগ** করতে হয়।
নিয়ম ২.৪: চতুর্ভুজ বা বর্গের ভেতরে ত্রিভুজ সংখ্যা নির্ণয়
চতুর্ভুজের কর্ণগুলো পরস্পরকে ছেদ করলে যে কয়টি ঘর তৈরি হয়, সর্বোচ্চ ক্রমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে গুণ করতে হয়:
* ৪টি ঘর হলে: ৪ × ২ = ৮টি
* ৮টি ঘর হলে: ৮ × ২ = ১৬টি
- পাশাপাশি ২টি বর্গ যুক্ত থাকলে: ৮ + ৮ + ২ = ১৮টি (মাঝের সংযোগস্থলে ২টি বড় সাধারণ ত্রিভুজ তৈরি হয়)।
- ৩টি বর্গ যুক্ত থাকলে: ৮ + ৮ + ৮ + ২ + ২ = ২৮টি।
- ৪টি বর্গ L-শেপে যুক্ত থাকলে: (৮ × ৪) + ২ + ২ + ২ + ১ = ৩৯টি।
নিয়ম ২.৫: বৃত্ত ও ত্রিভুজের ছেদবিন্দু শর্টকাট
* ১টি ত্রিভুজ ও ১টি বৃত্ত **সর্বনিম্ন স্পর্শ** করে: **১টি বিন্দুতে**
* ১টি ত্রিভুজ ও ১টি বৃত্ত **সর্বনিম্ন ছেদ** করে: **২টি বিন্দুতে**
* ১টি ত্রিভুজ ও ১টি বৃত্ত **সর্বোচ্চ স্পর্শ** করে: **৩টি বিন্দুতে** (অন্তর্বৃত্ত)
* ১টি ত্রিভুজ ও ১টি বৃত্ত **সর্বোচ্চ ছেদ** করে: **৬টি বিন্দুতে** (প্রতি বাহুকে ২টি করে বিন্দুতে ছেদ করতে পারে)
—
৩. আয়না/দর্পণ ও পানিতে প্রতিবিম্বের শর্টকাট (Mirror & Water Images)
- দর্পণের ধর্ম: পার্শ্ব পরিবর্তন (Lateral Inversion) ঘটে; অর্থাৎ বাম পাশ ডানে এবং ডান পাশ বামে যায়, কিন্তু উপর-নিচ ঠিক থাকে।
- পানির ধর্ম: উল্টো পরিবর্তন ঘটে; অর্থাৎ উপরের অংশ নিচে এবং নিচের অংশ উপরে যায় (শীর্ষ-পাদ পরিবর্তন)।
৩.১: দর্পণে অপরিবর্তিত ১১টি ইংরেজি বর্ণ (Magic Mnemonic)
ইংরেজি ২৬টি বড় অক্ষরের মধ্যে **১১টি বর্ণ** দর্পণে অবিকল একই থাকে:
A, H, I, M, O, T, U, V, W, X, Y
> **💡 মনে রাখার ছন্দ:** **”MOTU VAI WHY X”** (মোতু ভাই হোয়াই এক্স)
- দর্পণে যে সকল শব্দের কোনো পরিবর্তন ঘটে না:
OTTO,MOOM,MUM,WOW,TOOTইত্যাদি। - শব্দে পরিবর্তন ঘটবে কিন্তু ব্যক্তিগত বর্ণের দর্পণ অপরিবর্তিত থাকবে:
OATH,HIMU,OX,VAT,TATTOO,VOXY,TATA
৩.২: পানিতে অপরিবর্তিত ৯টি বর্ণ
পানির প্রতিবিম্বে **৯টি বর্ণ** অবিকল একই থাকে:
B, C, D, E, H, I, K, O, X
> **💡 মনে রাখার ছন্দ:** **”HI BCDE OK X”** (হাই বিসিডিই ওকে এক্স)
—
৪. ঘড়ি সংক্রান্ত সমস্যা ও কোণ নির্ণয়ের শর্টকাট (Clock Problems)
৪.১: ঘণ্টার ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ নির্ণয়
নির্দিষ্ট সময়ে কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ বের করার মাস্টার ফর্মুলা:
| ১১ × মিনিট - ৬০ × ঘণ্টা |
θ = ────────────────────────────
২
যদি নির্ণীত কোণ θ এর মান ১৮০° এর চেয়ে বেশি হয়, তবে প্রকৃত কোণ বের করতে ৩৬০° থেকে বিয়োগ করতে হবে: কোণ = ৩৬০° – θ। কারণ ঘড়ির কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম কোণটিই উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য। যদি প্রশ্নে **প্রবৃদ্ধ কোণ (Reflex Angle)** চায়, তবে ১৮০° এর বড় মানটিই উত্তর হবে।
- উদাহরণ ১ (ঘড়িতে ৪:০০ বাজে কোণ কত?):
| ১১ × ০ - ৬০ × ৪ | | -২৪০ |
θ = ─────────────────── = ────────── = ১২০°
২ ২
- উদাহরণ ২ (ঘড়িতে ৪:৫৫ বাজে কোণ কত?):
| ১১ × ৫৫ - ৬০ × ৪ | | ৬০৫ - ২৪০ | ৩৬৫
θ = ──────────────────── = ───────────── = ────── = ১৮২.৫°
২ ২ ২
যেহেতু এটি ১৮০° এর বেশি:
মধ্যবর্তী কোণ = ৩৬০° - ১৮২.৫° = ১৭৭.৫°
- উদাহরণ ৩ (১০:২৫ বাজে প্রবৃদ্ধ কোণ কত?):
| ১১ × ২৫ - ৬০ × ১০ | | ২৭৫ - ৬০০ | ৩২৫
θ = ───────────────────── = ─────────── = ────── = ১৬২.৫°
২ ২ ২
প্রবৃদ্ধ কোণ (Reflex Angle) = ৩৬০° - ১৬২.৫° = ১৯৭.৫°
৪.২: আয়নায় ঘড়ির সময় নির্ণয় (১১:৬০ ট্রিক)
আয়নায় কোনো ঘড়ির যে সময় দেখা যায়, তা থেকে আসল সময় বের করার ম্যাজিক শর্টকাট হলো **১১:৬০ থেকে দেওয়া সময়টি বিয়োগ করা**:
আসল সময় = ১১:৬০ - (আয়নায় দেখা সময়)
- আয়নায় দেখা গেল ৭:৩০ বাজে ➔ ১১:৬০ – ৭:৩০ = ৪:৩০
- আয়নায় দেখা গেল ৪:৩৫ বাজে ➔ ১১:৬০ – ৪:৩৫ = ৭:২৫
- আয়নায় দেখা গেল ১২:১৭ বাজে ➔ ১১:৬০ – ০:১৭ = ১১:৪৩ *(১২টাকে ০ হিসেবে ধরতে হবে)*
- “A clock seen through mirror reads a quarter to nine” (৮:৪৫) ➔ ১১:৬০ – ৮:৪৫ = ৩:১৫
৪.৩: ঘড়ির সময় হারানো বা দ্রুত চলা সংক্রান্ত সমস্যা
একটি ঘড়ি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় হারালে বা দ্রুত চললে কতদিন পর আবার সঠিক সময় দেবে:
১২ × ঘণ্টা
মোট দিন = ──────────────
হারানো সময়
- প্রতিদিন ২০ মিনিট হারালে: (১২ × ৬০) / ২০ = ৩৬ দিন পর।
- প্রতিদিন ১০ মিনিট বেশি দিলে: (১২ × ৬০) / ১০ = ৭২ দিন পর।
- প্রতিদিন ৩০ সেকেন্ড হারালে: (১২ × ৩৬০০) / ৩০ = ১৪৪০ দিন পর।
৪.৪: কাঁটা দুটির সমাপতন, বিপরীত ও সমকোণের পরিসংখ্যান
| অবস্থা | ১ ঘণ্টায় | ১২ ঘণ্টায় | ২৪ ঘণ্টায় (১ দিনে) |
| :— | :—: | :—: | :—: |
| **সমাপতিত হওয়া (Coincide – একটার ওপর আরেকটি)** | ১ বার | ১১ বার | **২২ বার** |
| **পরস্পর বিপরীত দিকে থাকা (Opposite Direction)** | ১ বার | ১১ বার | **২২ বার** |
| **একই সরলরেখায় থাকা (Coincide + Opposite)** | ২ বার | ২২ বার | **৪৪ বার** |
| **সমকোণে থাকা (Right Angle – ৯০° কোণ)** | ২ বার | ২২ বার | **৪৪ বার** |
—
৫. ক্যালেন্ডার ও দিন-তারিখ নির্ণয়ের ম্যাজিক শর্টকাট (Calendar Shortcuts)
৫.১: সাধারণ বছর বনাম লিপ ইয়ার
* **সাধারণ বছর (৩৬৫ দিন):** যে বারে বছর শুরু হয় (১ জানুয়ারি), সেই একই বারে বছর শেষ হয় (৩১ ডিসেম্বর)।
* পরবর্তী বছরের একই তারিখে বার **১ দিন এগিয়ে যায়**।
* **অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার (৩৬৬ দিন):** যে বারে বছর শুরু হয়, তার পরের বারে বছর শেষ হয়।
* ফেব্রুয়ারি মাস পার হয়ে গেলে পরবর্তী বছরের একই তারিখে বার **২ দিন এগিয়ে যায়**।
৫.২: অড ডে (Odd Days) মেথড
মোট দিনকে ৭ দিয়ে ভাগ করে যে ভাগশেষ থাকে তাকে অড ডে বলা হয়। মূল বারের সাথে ভাগশেষ যোগ বা বিয়োগ করলেই অভীষ্ট বার পাওয়া যায়।
* **প্রশ্ন:** “আজ রবিবার হলে ৩৫৩ দিন পর কী বার হবে?”
* সমাধান: ৩৫৩ ÷ ৭ = ৫০ (ভাগফল), অবশিষ্ট থাকে **৩**।
* রবিবার + ৩ দিন = **বুধবার**।
৫.৩: “আগামী পরশু / গতকালের আগের দিন” ধাঁধার টাইমলাইন মেথড
এই ধাঁধাগুলো সমাধান করতে মাঝখানে ‘আজ’ রেখে একটি টাইমলাইন তৈরি করুন:
আগের দিন <── গতকাল <── [আজ] ──> আগামীকাল ──> পরশু ──> পরের দিন
- প্রশ্ন: “আগামী পরশুর পরের দিন রবিবার হলে গতকালের আগের দিন কী বার ছিল?”
* আগামী পরশুর পরের দিন = রবিবার
* আগামী পরশু = শনিবার
* আগামীকাল = শুক্রবার
* আজ = বৃহস্পতিবার
* গতকাল = বুধবার
* গতকালের আগের দিন = মঙ্গলবার!
—
📝 বিগত বিসিএস ও চাকরির মানসিক দক্ষতা প্রশ্নব্যাংক অনুশীলন (ব্যাখ্যাসহ)
১৬টি
২০টি
২৬টি
৩০টি
১৫টি
২১টি
২৬টি
৩০টি
১২টি
১৮টি
২৪টি
৩৬টি
৬টি
৮টি
১০টি
১২টি
১২টি
১৪টি
১৬টি
১৮টি
৭টি
৯টি
১১টি
১৩টি
৯০°
১০০°
১২০°
১৩০°
৪:৩০
৫:৩০
৬:৩০
৪:২৫
১১ বার
২২ বার
২৪ বার
৪৪ বার
সোমবার
মঙ্গলবার
বুধবার
বৃহস্পতিবার