Bangla LiteratureJob Preparation
বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব পরিচিতি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব — বিস্তারিত আলোচনা
বিসিএস প্রিলিমিনারি ও সকল সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই পূর্ণাঙ্গ স্টাডি গাইডে বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব-এর প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী, আলোচনা ও বিগত সালের পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তিরিশের দশকের যে পাঁচজন কবি রবীন্দ্রপ্রভাবমুক্ত হয়ে আধুনিক বাংলা কবিতার সূচনা করেছিলেন, তাদের একত্রে পঞ্চপাণ্ডব বলা হয়।
পঞ্চপাণ্ডব কবিগণ:
1. বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮ – ১৯৭৪)
- পত্রিকা: কবিতা পত্রিকা (১৯৩৫)
- বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: বন্দীর বন্দনা, কঙ্কাবতী, যে-আঁধার আলোর অধিক।
2. অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১ – ১৯৮৬)
- বৈশিষ্ট্য: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন।
- বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: খসড়া, একমুঠো, পারাপার।
3. জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯ – ১৯৫৪)
- উপাধি: রূপসী বাংলার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতম কবি (বুদ্ধদেব বসু প্রদত্ত)।
- বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, রূপসী বাংলা, বেলা অবেলা কালবেলা।
4. বিষ্ণু দে (১৯০৯ – ১৯৮২)
- পুরস্কার: ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার জ্ঞানপীঠ (১৯৭১)।
- বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: উর্বশী ও আর্টেমিস, চোরাবালি, স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ।
5. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১ – ১৯৬০)
- পত্রিকা: পরিচয় পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক (১৯৩১)।
- বিখ্যাত উক্তি: ‘শনিবারের চিঠি’র যুগে তিনি ছিলেন ক্লাসিক্যাল কবি।
- বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: তন্বী, অর্কেস্ট্রা, ক্রন্দসী, সংবর্ত।
💡 বিসিএস প্রিলিমিনারি স্পেশাল টিপস:
– ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি নিখিল ভারত বঙ্গসাহিত্য সম্মেলনে (১৯৫৩) পুরস্কৃত হয়।
– ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বিষ্ণু দে জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন।