Bangla LiteratureJob Preparation
মীর মশাররফ হোসেন — বিষাদ-সিন্ধু, জমিদার দর্পণ ও মুসলিম সাহিত্যের পথপ্রদর্শক
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হলেন মীর মশাররফ হোসেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!📌 মীর মশাররফ হোসেন: পরিচিতি ও ছদ্মনাম
- জন্ম: ১৩ নভেম্বর ১৮৪৭, লাহিনীপাড়া, কুষ্টিয়া।
- মৃত্যু: ১৯ ডিসেম্বর ১৯১১, পদমদী, রাজবাড়ী।
- ছদ্মনাম: ‘গাজী মিয়াঁ’ (তাঁর ব্যঙ্গরচনা: গাজী মিয়াঁর বস্তানী)।
- পত্রিকা: তিনি ‘আজিজননেহার’ (১৮৭৪) ও ‘হিতকরী’ (১৮৯০) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
📚 অমর সাহিত্যকর্ম
- বিষাদ-সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১): তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। কারবালার ঐতিহাসিক ও হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত ইতিহাসাশ্রয়ী মহোপন্যাস (৩টি পর্ব: মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব, এজিদ বধ পর্ব)।
- বসন্তকুমারী (১৮৭৩): মুসলিম নাট্যকার রচিত প্রথম সার্থক বাংলা নাটক।
- জমিদার দর্পণ (১৮৭৩): ১৮৭২-৭৩ সালের পাবনা-সিরাজগঞ্জের কৃষক প্রজা বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত নাটক (হাইজাম চরিত্র)।
- আত্মজীবনী: ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ (নীলকরদের অত্যাচারের কাহিনী), ‘আমার জীবনী’।
- রত্নাবতী (১৮৬৯): প্রথম মুসলিম রচিত উপন্যাসধর্মী কথাসাহিত্য।
📝 মডেল টেস্ট (BCS Model Test)
১. ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কয়টি পর্বে সমাপ্ত?
- (ক) ২টি
- (খ) ৩টি
- (গ) ৪টি
- (ঘ) ৫টি
💡 সঠিক উত্তর: (খ) | ব্যাখ্যা: বিষাদ-সিন্ধু মহরম, উদ্ধার ও এজিদ বধ—এই ৩টি পর্বে বিভক্ত।
২. মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম কী ছিল?
- (ক) বীরবল
- (খ) গাজী মিয়াঁ
- (গ) টেকচাঁদ
- (ঘ) কালকূট
💡 সঠিক উত্তর: (খ) | ব্যাখ্যা: তিনি ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ ব্যঙ্গগ্রন্থে গাজী মিয়াঁ ছদ্মনাম ব্যবহার করেন।
৩. ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- (ক) দীনবন্ধু মিত্র
- (খ) মীর মশাররফ হোসেন
- (গ) মুনীর চৌধুরী
- (ঘ) গিরীশচন্দ্র ঘোষ
💡 সঠিক উত্তর: (খ) | ব্যাখ্যা: ১৮৭৩ সালে মীর মশাররফ হোসেন জমিদারদের শোষণ ও প্রজা বিদ্রোহ নিয়ে নাটকটি লেখেন।