Close Menu
  • Home
  • Tools
    • Calculator
  • News
    • Islamic info Bangla
    • Lifestyle
  • Study
    • Class 9-10
      • Science
      • রসায়ন (SSC)
    • Grammar
    • Paragraph For SSC, HSC 2025
    • Compositions
    • English Speaking
    • জাপানিজ ভাষা (Japanease Language)
  • Best Job
  • Price
    • Product review
  • Privacy Policy
  • Exact Age Calculator Offline Privacy Policy
  • Privacy Policy for Leaf Doctor AI
Ajker Bongo
Google News
  • Home
  • Tools
    • Calculator
  • News
    • Islamic info Bangla
    • Lifestyle
  • Study
    • Class 9-10
      • Science
      • রসায়ন (SSC)
    • Grammar
    • Paragraph For SSC, HSC 2025
    • Compositions
    • English Speaking
    • জাপানিজ ভাষা (Japanease Language)
  • Best Job
  • Price
    • Product review
  • Privacy Policy
  • Exact Age Calculator Offline Privacy Policy
  • Privacy Policy for Leaf Doctor AI
Ajker Bongo
Home » Study
Study

শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য: সেরা কিছু নমুনা ও সহজ বক্তৃতার কৌশল

Ajker bongoBy Ajker bongoNo Comments7 Mins Read

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনটি আমাদের অহংকার, আমাদের গর্বের প্রতীক। প্রতি বছর এই দিনটিকে কেন্দ্র করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজন করা হয়। আর এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান অংশ হলো আলোচনা সভা। আপনি যদি মঞ্চে উঠে সুন্দরভাবে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে চান, তবে একটি গুছানো শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য প্রস্তুত করা অত্যন্ত জরুরি।

অনেকেই মঞ্চে কথা বলতে গিয়ে নার্ভাস হয়ে পড়েন বা কী বলবেন তা গুছিয়ে উঠতে পারেন না। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী এবং নতুন বক্তাদের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি এবং কিছু কৌশল জানা থাকলে আপনিও একটি হৃদয়স্পর্শী ও তথ্যবহুল বক্তব্য দিতে পারবেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব কীভাবে একটি চমৎকার বক্তব্য তৈরি করা যায় এবং বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণির জন্য উপযোগী কিছু বক্তৃতার নমুনা। ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস এবং আবেগের সংমিশ্রণে আপনার শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য যেন শ্রোতাদের মনে দাগ কাটতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

Table of Contents

Toggle
  • শহীদ দিবসের বক্তব্যের গুরুত্ব ও প্রস্তুতি
  • বক্তব্য শুরু করার সঠিক নিয়ম
  • শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য: শিক্ষার্থীদের জন্য নমুনা (স্কুল পর্যায়)
  • হাই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বিস্তারিত বক্তব্য
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসের তাৎপর্য
  • শিক্ষকদের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষণ
  • বক্তব্য সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার কিছু টিপস
  • সাধারণ কিছু ভুল যা এড়িয়ে চলা উচিত
  • উপসংহার

শহীদ দিবসের বক্তব্যের গুরুত্ব ও প্রস্তুতি

যেকোনো অনুষ্ঠানে কথা বলার আগে সেই দিনটির গুরুত্ব অনুধাবন করা প্রয়োজন। একুশে ফেব্রুয়ারি কেবল একটি দিন নয়, এটি আমাদের অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে। তাই যখন আপনি শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য দেবেন, তখন আপনার কণ্ঠে সেই আবেগ ও শ্রদ্ধাবোধ থাকা চাই। শ্রোতারা কেবল তথ্য শুনতে চায় না, তারা অনুভব করতে চায় ১৯৫২ সালের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা।

বক্তব্য প্রস্তুত করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। প্রথমত, আপনার তথ্য সঠিক হতে হবে। রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা অনেক শহীদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বক্তব্যের ভাষা হতে হবে সহজ ও সাবলীল। খুব কঠিন শব্দ ব্যবহার করলে শ্রোতারা মনোযোগ হারাতে পারেন। এবং তৃতীয়ত, আপনার বাচনভঙ্গি হতে হবে আত্মবিশ্বাসী।

বক্তব্য শুরু করার সঠিক নিয়ম

একটি ভালো বক্তব্যের অর্ধেকই নির্ভর করে এর শুরুর ওপর। শুরুটা যদি আকর্ষণীয় হয়, তবে শ্রোতারা শেষ পর্যন্ত আপনার কথা শুনবে। শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য শুরু করার সময় উপস্থিত সবাইকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

নিচে বক্তব্য শুরু করার একটি সাধারণ ফরম্যাট দেওয়া হলো:

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহোদয়, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, সম্মানিত শিক্ষক মন্ডলী এবং আমার সামনে উপবিষ্ট ভাই ও বোনেরা—সবাইকে জানাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা ও সালাম। আজ সেই মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি। বাঙালি জাতির শোক ও গৌরবের দিন।”

এইটুকু বলার পর মূল আলোচনায় প্রবেশ করতে হবে। শুরুর এই অংশটি খুব ধীরস্থির ও স্পষ্ট উচ্চারণে বলা উচিত।

শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য: শিক্ষার্থীদের জন্য নমুনা (স্কুল পর্যায়)

অনেক সময় প্রাথমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছোট শিক্ষার্থীদের মঞ্চে কথা বলতে হয়। তাদের জন্য বক্তব্যটি হতে হবে ছোট এবং সহজ। নিচে ছোটদের জন্য একটি শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য এর নমুনা দেওয়া হলো:

বক্তৃতার নমুনা ১:

“মাননীয় সভাপতি এবং উপস্থিত সকলকে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা। আজ একুশে ফেব্রুয়ারি। আমাদের মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষার জন্য ঢাকার রাজপথে রক্ত ঝরেছিল।

সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার এবং শফিউরসহ নাম না জানা আরও অনেকে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আমাদের মায়ের ভাষা বাংলা পেয়েছি। পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোনো জাতি ভাষার জন্য এভাবে জীবন দেয়নি। তাই ইউনেস্কো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আজকের এই দিনে আমি সকল ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আসুন আমরা সবাই মিলে বাংলা ভাষাকে ভালোবাসি এবং শুদ্ধ বাংলা চর্চা করি। সবাইকে ধন্যবাদ।”

এই বক্তব্যটি ছোটদের জন্য খুব উপযোগী কারণ এতে জটিল কোনো বাক্য নেই এবং মূল কথাগুলো সহজেই বলা হয়েছে।

হাই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বিস্তারিত বক্তব্য

হাই স্কুল বা কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য একটু বিস্তারিত ও তথ্যপূর্ণ হওয়া উচিত। এখানে ইতিহাস এবং বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলা যেতে পারে।

বক্তৃতার নমুনা ২:

“শ্রদ্ধেয় সুধী, আজকের এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি প্রথমেই গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের। ১৯৫২ সালের ৮ই ফালগুন বা ২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল বাঙালির জেগে ওঠার দিন। পাকিস্তানি শাসকরা চেয়েছিল উর্দুকে আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে। কিন্তু দামাল ছেলেরা তা মেনে নেয়নি। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে কেঁপে উঠেছিল রাজপথ।

১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। রাজপথ রঞ্জিত হয় শহীদের রক্তে। সেই রক্তের সিড়ি বেয়েই আজ আমরা বাংলায় কথা বলছি, বাংলায় গান গাইছি, বাংলায় স্বপ্ন দেখছি। তাদের এই আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। আজ একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু আমাদের নয়, সারা বিশ্বের সম্পদ। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো আমাদের এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এটি আমাদের জন্য বিশাল গর্বের।

কিন্তু বন্ধুরা, একটি প্রশ্ন আজ আমাদের নিজেদের করতে হবে। যে ভাষার জন্য ভাইয়েরা রক্ত দিলেন, আমরা কি সেই ভাষাকে যথাযথ সম্মান দিচ্ছি? আমরা কি শুদ্ধভাবে বাংলা বলছি ও লিখছি? নাকি ভিনদেশি সংস্কৃতির ভিড়ে আমাদের প্রাণের ভাষাকে হারিয়ে ফেলছি?

আসুন, আজকের এই দিনে আমরা শপথ নেই—আমরা আমাদের ভাষাকে ভালোবাসব। সকল ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার প্রচলন নিশ্চিত করব। শহীদদের আত্মা তখনই শান্তি পাবে যখন আমরা আমাদের সংস্কৃতি ও ভাষাকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে পারব।

আমার শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য আমি আর দীর্ঘায়িত করব না। আবারও সকল ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আমি আমার কথা শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ, জয় বাংলা।”

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসের তাৎপর্য

যেকোনো শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য প্রস্তুত করার সময় এর আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরাটা স্মার্ট বক্তার পরিচয়। ১৯৫২ সালের ঘটনাটি কেবল একটি রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল না, এটি ছিল সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার লড়াই।

বক্তব্যে উল্লেখ করতে পারেন যে, বর্তমানে পৃথিবীর ১৯৩টি দেশে এই দিবসটি পালিত হয়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সব ভাষারই সমান মর্যাদা রয়েছে। সিয়েরা লিওন নামের আফ্রিকান দেশটি বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এই তথ্যগুলো আপনার বক্তব্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

শিক্ষকদের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষণ

শিক্ষকরা যখন ছাত্রছাত্রীদের সামনে কথা বলেন, তখন তা নির্দেশনামূলক ও অনুপ্রেরণাদায়ী হওয়া উচিত। শিক্ষকদের শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য এমন হওয়া চাই যা ছাত্রদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।

বক্তৃতার নমুনা ৩ (শিক্ষকদের জন্য):

“প্রিয় ছাত্রছাত্রী ও সহকর্মীবৃন্দ, আজকের এই প্রভাতফেরিতে সমবেত সকলকে জানাই একুশে ফেব্রুয়ারির শুভেচ্ছা। আমরা আজ এখানে সমবেত হয়েছি আমাদের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে। কিন্তু শুধু ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেই কি আমাদের দায়িত্ব শেষ? মোটেও না। ১৯৫২ সালে তরুণ ছাত্রসমাজ যে সাহসিকতা দেখিয়েছিল, তা থেকে তোমাদের শিক্ষা নিতে হবে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং নিজের অধিকার আদায় করে নেওয়ার নামই হলো একুশে ফেব্রুয়ারি।

তোমরা যারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, তোমাদের কাঁধেই রয়েছে এই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করার দায়িত্ব। তোমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত হবে, আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ হবে, কিন্তু কখনো নিজের শেকড়কে ভুলে যাবে না। যে জাতি তার ভাষাকে সম্মান করতে জানে না, সে জাতি কখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না।

আমার আহ্বান থাকবে, তোমরা প্রচুর বই পড়বে, বাংলা সাহিত্য জানবে এবং শুদ্ধ বাংলা চর্চা করবে। তোমাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষা বিশ্বদরবারে আরও উজ্জ্বল হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।”

বক্তব্য সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার কিছু টিপস

শুধুমাত্র ভালো স্ক্রিপ্ট থাকলেই ভালো বক্তা হওয়া যায় না। শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় নিচের টিপসগুলো মেনে চললে আপনার উপস্থাপনা অনেক বেশি আকর্ষণীয় হবে:

  • ১. চোখে চোখ রেখে কথা বলা: কাগজের দিকে তাকিয়ে রিডিং না পড়ে, দর্শকদের দিকে তাকিয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন। এতে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ পায়।
  • ২. গলার স্বর: বক্তব্যের আবেগের সাথে গলার স্বর ওঠানামা করা জরুরি। শোকের কথার সময় স্বর নিচু এবং প্রতিবাদের কথার সময় স্বর দৃঢ় হতে হবে।
  • ৩. প্রমিত উচ্চারণ: আঞ্চলিকতা পরিহার করে প্রমিত বাংলায় কথা বলার চেষ্টা করুন। এটি বক্তব্যের মান বাড়ায়।
  • ৪. সময় জ্ঞান: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য শেষ করা একজন ভালো বক্তার গুণ। খুব বেশি দীর্ঘায়িত করলে শ্রোতারা বিরক্ত হতে পারেন।
  • ৫. পোশাক: যেহেতু এটি একটি শোক ও শ্রদ্ধার দিন, তাই মার্জিত পোশাক পরিধান করা উচিত। সাধারণত সাদা-কালো পোশাক এই দিনের ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মানানসই।

সাধারণ কিছু ভুল যা এড়িয়ে চলা উচিত

অনেকে শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে কিছু সাধারণ ভুল করে থাকেন। যেমন—অপ্রাসঙ্গিক রাজনৈতিক কথা বলা, ভুল তথ্য দেওয়া বা অতিরিক্ত আবেগী হয়ে কাঁদো কাঁদো স্বরে কথা বলা। মনে রাখবেন, একুশে ফেব্রুয়ারি শোকের দিন হলেও এটি আমাদের শক্তির উৎস। তাই কান্না নয়, দৃঢ়তাই এখানে কাম্য। এছাড়াও, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রশংসা করতে গিয়ে মূল বিষয় অর্থাৎ ভাষা শহীদদের কথা যেন চাপা না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

উপসংহার

পরিশেষে বলা যায়, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের চেতনার বাতিঘর। বছরে মাত্র একদিন লোক দেখানো দেশপ্রেম না দেখিয়ে, সারা বছর বাংলা ভাষার প্রতি যত্নবান হওয়াই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আশা করি, উপরে উল্লেখিত শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য এর নমুনাগুলো আপনাদের কাজে লাগবে। আপনি এখান থেকে ধারণা নিয়ে নিজের মতো করে গুছিয়ে কথা বলতে পারেন। মনে রাখবেন, মনের গভীর থেকে আসা কথাই সবচেয়ে সুন্দর বক্তব্য। শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং বাংলা ভাষার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে আজকের লেখাটি এখানেই শেষ করছি।

Previous Articleশহীদ দিবস সম্পর্কে ১০ টি বাক্য
Ajker bongo
  • Website

Related Posts

শহীদ দিবস সম্পর্কে ১০ টি বাক্য

February 4, 2026

বাংলা পাঠদানে প্রযুক্তি ব্যবহার: আধুনিক শিক্ষার নতুন দিগন্ত

January 26, 2026

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ রচনা ২০ পয়েন্ট

November 10, 2025

কোণ কাকে বলে

November 10, 2025
Leave A Reply Cancel Reply

Recent Posts
  • শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য: সেরা কিছু নমুনা ও সহজ বক্তৃতার কৌশল
  • শহীদ দিবস সম্পর্কে ১০ টি বাক্য
  • জুলাই শহীদ দিবস কবে? ছাত্র-জনতার ত্যাগের ইতিহাস
  • স্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙ্গে যায় কি ?
  • রোজা ভঙ্গের কারণ ১৯টি: জানুন আপনার রোজা সঠিক হচ্ছে কি না
  • রোজা রাখার নিয়ত এবং ইফতারের দোয়া ২০২৬
  • রোজা কত তারিখে ২০২৬: সম্ভাব্য সময়সূচী ও ক্যালেন্ডার
  • কে এই কুখ্যাত জেফরি এপস্টেইন
  • डोलयात्रा 2026: तिथि, महत्व, इतिहास और उत्सव की पूरी जानकारी
  • শবে বরাতের নামাজের নিয়ম ও নিয়ত | শবে বরাতের আমল ও ফজিলত
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতার হিসাব
  • সরকারি ছুটির তালিকা ২০২৬ ব্যাংক
  • টপ ৫ ইন্সুরেন্স কোম্পানি ইন বাংলাদেশ: আপনার নিরাপত্তার সঠিক সঙ্গী বেছে নিন
  • গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স এর সুবিধা
  • ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স পলিসি চেক করার সহজ নিয়ম ২০২৬
  • ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স এর সুবিধা: পলিসি খোলার আগে যে ১০টি বিষয় না জানলেই নয়
© 2026 Ajker Bongo.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.