Close Menu
  • Home
  • Tools
    • Calculator
  • News
    • Islamic info Bangla
    • Lifestyle
  • Study
    • Class 9-10
      • Science
      • রসায়ন (SSC)
    • Grammar
    • Paragraph For SSC, HSC 2025
    • Compositions
    • English Speaking
    • জাপানিজ ভাষা (Japanease Language)
  • Best Job
  • Price
    • Product review
  • Privacy Policy
  • Exact Age Calculator Offline Privacy Policy
  • Privacy Policy for Leaf Doctor AI
Ajker Bongo
Google News
  • Home
  • Tools
    • Calculator
  • News
    • Islamic info Bangla
    • Lifestyle
  • Study
    • Class 9-10
      • Science
      • রসায়ন (SSC)
    • Grammar
    • Paragraph For SSC, HSC 2025
    • Compositions
    • English Speaking
    • জাপানিজ ভাষা (Japanease Language)
  • Best Job
  • Price
    • Product review
  • Privacy Policy
  • Exact Age Calculator Offline Privacy Policy
  • Privacy Policy for Leaf Doctor AI
Ajker Bongo
Home » Lifestyle
Lifestyle

জুলাই শহীদ দিবস কবে? ছাত্র-জনতার ত্যাগের ইতিহাস

Ajker bongoBy Ajker bongoNo Comments9 Mins Read

২০২৪ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন—সবমিলিয়ে জুলাই মাসটি ছিল রক্তঝরা ও বিপ্লবের মাস। এই আন্দোলনে শত শত ছাত্র ও সাধারণ মানুষ তাদের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। তাদের এই আত্মত্যাগের কারণেই আজ বাংলাদেশের মানুষ নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে। আর তাই বর্তমান সময়ে মানুষের মনে একটি প্রশ্ন বারবার উঁকি দিচ্ছে, সেটি হলো—জুলাই শহীদ দিবস কবে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পাশাপাশি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কর্তব্য। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জুলাই শহীদ দিবস, এর প্রেক্ষাপট এবং এই বিশেষ দিনটির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

যারা জানতে চান জুলাই শহীদ দিবস কবে, তাদের জন্য এই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার যে, জুলাই মাসের আন্দোলন এবং আগস্টের বিজয়—সব মিলিয়েই এই শহীদের স্মৃতিচারণ করা হয়। তবে সরকারিভাবে বা সামাজিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট একটি তারিখকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে অনেকের মনেই ধোঁয়াশা রয়েছে। চলুন, এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের গভীরে যাওয়া যাক।

Table of Contents

Toggle
  • জুলাই শহীদ দিবস কবে এবং এর প্রেক্ষাপট
  • ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
    • কোটা সংস্কার থেকে এক দফার ডাক
  • কেন জুলাই শহীদ দিবস এত গুরুত্বপূর্ণ?
  • শহীদদের তালিকা ও আত্মত্যাগের গল্প
    • আবু সাঈদ ও মীর মুগ্ধর অবদান
  • জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও সরকারি উদ্যোগ
  • ছাত্র-জনতার বিজয়ের ৩৬ জুলাই তত্ত্ব
  • জুলাই শহীদ দিবসে আমাদের করণীয়
  • আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জুলাই আন্দোলনের প্রভাব
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভূমিকা
  • নতুন বাংলাদেশ ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা
    • শেষ কথা
    • সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
    • সরকারিভাবে জুলাই শহীদ দিবস কবে পালন করা হয়?
    • ৩৬ জুলাই বলতে কী বোঝানো হয়?
    • জুলাই আন্দোলনে প্রথম শহীদ কে ছিলেন?
    • জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন-এর কাজ কী?
    • জুলাই আন্দোলনের মূল দাবি কী ছিল?

জুলাই শহীদ দিবস কবে এবং এর প্রেক্ষাপট

সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে, জুলাই শহীদ দিবস কবে পালন করা হবে বা এর নির্দিষ্ট তারিখ কোনটি। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন খুব দ্রুতই সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। জুলাই মাসের ১৬ তারিখ থেকে শুরু করে আগস্টের ৫ তারিখ পর্যন্ত সময়কালটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। এই সময়ে পুলিশের গুলিতে রংপুরের আবু সাঈদ, ঢাকার মুগ্ধসহ হাজারো ছাত্র-জনতা শহীদ হন।

আসলে, “জুলাই শহীদ দিবস” হিসেবে ক্যালেন্ডারে আগে থেকে কোনো দিন নির্ধারিত ছিল না। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং ছাত্র-জনতা শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। বিশেষ করে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে “জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন”-এর মাধ্যমে শহীদদের স্মরণ সভার আয়োজন করে। তবে সাধারণ মানুষ এবং আন্দোলনকারীরা জুলাই মাসের প্রতিটি দিনকেই, বিশেষ করে ১৬ জুলাই (আবু সাঈদের শাহাদাত বরণ) এবং ৫ আগস্ট (বিজয় দিবস বা ৩৬ জুলাই) তারিখগুলোকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। তাই জুলাই শহীদ দিবস কবে—এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট দিনের চেয়ে বরং পুরো জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করার সময়। তবুও, আন্দোলনের ভয়াবহতা এবং শহীদদের আত্মত্যাগের শুরুর সময় হিসেবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়টিকেই মানুষ শহীদ স্মরণের মূল সময় হিসেবে বিবেচনা করছে।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস না জানলে জুলাই শহীদ দিবস কবে এবং কেন এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝা সম্ভব নয়। এই আন্দোলনের শুরুটা হয়েছিল খুব সাধারণ একটি দাবি নিয়ে। সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়ে শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকারের কঠোর দমন-পীড়ন এবং ছাত্রদের ওপর নির্বিচার হামলার কারণে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়।

কোটা সংস্কার থেকে এক দফার ডাক

জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে আন্দোলন ছিল শান্তিপূর্ণ। কিন্তু ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর সারা দেশের ছাত্রসমাজ ফুঁসে ওঠে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ শহীদ হওয়ার পর আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায়। এরপর ১৮ জুলাই থেকে সারা দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং কারফিউ জারি করা হয়। এই সময়টিতেই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। শত শত মায়ের বুক খালি হয়। ছাত্রদের এই রক্তদান সাধারণ মানুষকেও রাস্তায় নামতে বাধ্য করে। ফলশ্রুতিতে, কোটা সংস্কারের দাবিটি শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের এক দফা দাবিতে পরিণত হয়।

কেন জুলাই শহীদ দিবস এত গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক আন্দোলন হয়েছে, কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মতো ঘটনা খুব কমই ঘটেছে। তাই মানুষ জানতে চায় জুলাই শহীদ দিবস কবে এবং আমরা কীভাবে তাদের স্মরণ করব। এই দিনটি বা সময়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার প্রধান কারণ হলো “Gen Z” বা তরুণ প্রজন্মের অদম্য সাহস। তারা প্রমাণ করেছে যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত না করে কীভাবে অধিকার আদায় করে নিতে হয়।

এই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলেন না। তারা ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থী, রিকশাচালক, হকার এবং সাধারণ পথচারী। তাদের এই নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ আমাদের গণতন্ত্র এবং বাকস্বাধীনতার পথকে নতুন করে উন্মুক্ত করেছে। জুলাই শহীদ দিবস কবে তা জানার আগ্রহ প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ তাদের এই বীর সন্তানদের ভোলেনি এবং ভুলবে না। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হলে কতটা সাহস এবং ত্যাগের প্রয়োজন হয়।

শহীদদের তালিকা ও আত্মত্যাগের গল্প

যখনই কেউ প্রশ্ন করেন জুলাই শহীদ দিবস কবে, তখনই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কিছু চেনা মুখ। এই আন্দোলনে হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন এবং শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের গল্পই আলাদা এবং হৃদয়বিদারক।

আবু সাঈদ ও মীর মুগ্ধর অবদান

আবু সাঈদ ছিলেন এই আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক। পুলিশের বন্দুকের নলের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর সেই দৃশ্য সারা বিশ্ব দেখেছে। তার সেই সাহসই কোটি কোটি ছাত্রকে রাস্তায় নামতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। অন্যদিকে, ঢাকার উত্তরায় মুগ্ধ নামের এক তরুণ গুলিতে শহীদ হন, যিনি আন্দোলনের সময় ক্লান্ত ছাত্রদের পানি ও বিস্কুট খাওয়াচ্ছিলেন। তার “পানি লাগবে, পানি?”—এই শেষ কথাটি আজও মানুষের কানে বাজে। এই শহীদদের স্মরণ করতেই মানুষ বারবার জানতে চায় জুলাই শহীদ দিবস কবে। কারণ, এই দিনটি শুধুই একটি তারিখ নয়, এটি আবেগের এক বিশাল অধ্যায়।

এছাড়াও ছোট ছোট শিশু থেকে শুরু করে বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষও পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের এই রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। আর তাই সঠিক মর্যাদায় শহীদ দিবস পালন করা জাতীয় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও সরকারি উদ্যোগ

আন্দোলনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শহীদদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য “জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন” গঠন করেছে। এই ফাউন্ডেশনের মূল কাজ হলো শহীদ পরিবারের আর্থিক ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

অনেকেই গুগলে সার্চ করছেন জুলাই শহীদ দিবস কবে বা সরকার কোনো নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করেছে কি না। সরকার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে শহীদদের স্মরণে একটি বিশেষ দিন পালন করেছে। তবে ভবিষ্যতে প্রতি বছর কোন নির্দিষ্ট তারিখে জাতীয়ভাবে এই দিবস পালন করা হবে, তা নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট তারিখটি “বিজয় দিবস” হিসেবে এবং জুলাইয়ের বিশেষ দিনগুলো “শহীদ দিবস” হিসেবে মানুষের মনে গেঁথে আছে। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শহীদদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে, যাতে কেউ ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে না যায়।

ছাত্র-জনতার বিজয়ের ৩৬ জুলাই তত্ত্ব

জুলাই মাসটি সাধারণ ৩১ দিনে শেষ হলেও, আন্দোলনকারীদের কাছে এই মাসটি শেষ হয়নি ৫ আগস্টের আগে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের দিনটিকে ছাত্র-জনতা “৩৬ জুলাই” হিসেবে অভিহিত করে। এই অভিনব নামকরণের মাধ্যমে তারা বোঝাতে চেয়েছে যে, জুলাইয়ের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাতেই এই বিজয় এসেছে।

তাই যখন কেউ প্রশ্ন করেন জুলাই শহীদ দিবস কবে, তখন পরোক্ষভাবে এই “৩৬ জুলাই” বা ৫ আগস্টের কথাও চলে আসে। তবে শহীদদের স্মরণের জন্য জুলাইয়ের ১৬ থেকে ২১ তারিখের সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারণ এই সময়েই সবচেয়ে বেশি হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। এই “৩৬ জুলাই” তত্ত্বটি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং তরুণদের মাঝে একটি বিপ্লবের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি কেবল একটি তারিখ নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী লড়াইয়ের প্রতীক।

জুলাই শহীদ দিবসে আমাদের করণীয়

শুধুমাত্র জুলাই শহীদ দিবস কবে তা জানলেই আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। এই দিনটি পালনের জন্য আমাদের কিছু নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। শহীদদের রক্তে কেনা এই নতুন বাংলাদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার।

  • ১. শহীদ পরিবারকে সহায়তা: আমাদের আশেপাশে যদি কোনো শহীদ পরিবার থাকে, তবে তাদের খোঁজখবর নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।
  • ২. সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ: আগামীর প্রজন্ম যেন এই ইতিহাস ভুলে না যায়, সেজন্য সঠিক তথ্য প্রচার করা জরুরি।
  • ৩. রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা: যে পরিবর্তনের জন্য তারা প্রাণ দিয়েছেন, সেই দেশের সম্পদ রক্ষা করা এবং নিয়ম মেনে চলা আমাদের কর্তব্য।
  • ৪. দোয়া ও প্রার্থনা: ধর্মীয়ভাবে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা উচিত।

এই কাজগুলোর মাধ্যমেই আমরা প্রকৃত অর্থে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারব।

আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জুলাই আন্দোলনের প্রভাব

২০২৪ সালের এই আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও এই ঘটনার ওপর কড়া নজর রেখেছিল। যখন বিশ্ববাসী দেখল বাংলাদেশের ছাত্ররা কীভাবে গুলির সামনে বুক পেতে দিচ্ছে, তখন তারা অবাক হয়েছিল। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বিভিন্ন দেশে সংহতি সমাবেশ করেছে।

বিদেশি গণমাধ্যমেও প্রশ্ন উঠেছিল, এই আন্দোলনের শেষ কোথায়? আজ যখন প্রবাসীরা জিজ্ঞাসা করেন জুলাই শহীদ দিবস কবে, তখন বোঝা যায় যে দেশের বাইরে থাকলেও তাদের মন দেশের জন্যই কাঁদে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে। জুলাইয়ের এই শহীদরা আজ বিশ্বজুড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।

আরও জানতে পারেনঃ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতার হিসাব

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভূমিকা

জুলাই আন্দোলনের সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের। মেইনস্ট্রিম মিডিয়া যখন সত্য লুকাতে ব্যস্ত ছিল, তখন ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার) এবং ইউটিউবের মাধ্যমে ছাত্ররা সঠিক খবর মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। “জুলাই শহীদ দিবস কবে”—এই কিওয়ার্ডটি আজ ইন্টারনেটে এত জনপ্রিয় হওয়ার কারণও এই ডিজিটাল বিপ্লব।

আন্দোলনের সময় হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছিল ছাত্ররা। শহীদদের ছবি এবং ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল, যা সাধারণ মানুষকে ঘর থেকে বের হতে বাধ্য করেছিল। এখনো মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতেই খোঁজ নিচ্ছে জুলাই শহীদ দিবস কবে পালিত হবে বা এর আনুষ্ঠানিকতা কী হবে। তাই বলা যায়, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোই এই আন্দোলনের প্রাণশক্তি ছিল।

নতুন বাংলাদেশ ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা

শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, তাকে নিয়ে তরুণ প্রজন্মের অনেক স্বপ্ন। তারা এমন একটি দেশ চায় যেখানে মেধার মূল্যায়ন হবে, দুর্নীতি থাকবে না এবং বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। যারা জানতে চান জুলাই শহীদ দিবস কবে, তারা মূলত এই নতুন বাংলাদেশের যাত্রার শুরুর দিনটিকে স্মরণ করতে চান।

তরুণরা চায়, রাষ্ট্র যেন শহীদদের সর্বোচ্চ সম্মান দেয়। পাঠ্যপুস্তকে এই আন্দোলনের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও উঠেছে। কারণ, আগামী প্রজন্ম যদি না জানে জুলাই শহীদ দিবস কবে এবং কেন এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ, তবে এই ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা কঠিন হবে। রাষ্ট্র সংস্কারের যে কাজ চলছে, তার মূলে রয়েছে জুলাইয়ের সেই উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতি।

শেষ কথা

পরিশেষে বলা যায়, জুলাই শহীদ দিবস কবে—এই প্রশ্নটি শুধু একটি তারিখ জানার জন্য নয়, এটি আমাদের অস্তিত্ব এবং আবেগের সাথে মিশে আছে। যদিও সরকারিভাবে ১৪ সেপ্টেম্বর শহীদদের স্মরণে সভা করা হয়েছে এবং ৫ আগস্টকে বিজয়ের দিন হিসেবে দেখা হয়, তবুও জুলাইয়ের ১৬ তারিখ থেকে শুরু করে পুরো মাসটিই আমাদের কাছে শহীদ স্মরণের সময়। আবু সাঈদ, মুগ্ধ এবং নাম না জানা শত শত শহীদের আত্মত্যাগ আমাদের ঋণী করে গেছে।

আমাদের দায়িত্ব হলো এই ঋণ শোধ করা। একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই আমরা তাদের আত্মার প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে পারি। আসুন, আমরা প্রতি বছর এই দিনগুলোকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এবং তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। জুলাইয়ের সেই রক্তঝরা দিনগুলো যেন আমাদের সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ার অনুপ্রেরণা যোগায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

সরকারিভাবে জুলাই শহীদ দিবস কবে পালন করা হয়?

সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তারিখকে বাৎসরিক “জুলাই শহীদ দিবস” হিসেবে ক্যালেন্ডারে যুক্ত করার ঘোষণা স্থায়ীভাবে দেওয়া হয়নি। তবে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা আয়োজন করেছিল। ভবিষ্যতে এটি কীভাবে পালিত হবে, তা সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

৩৬ জুলাই বলতে কী বোঝানো হয়?

জুলাই মাস ৩১ দিনে শেষ হলেও, আন্দোলনকারীরা ৫ আগস্ট সরকার পতনের দিনটিকে প্রতীকীভাবে “৩৬ জুলাই” বলে অভিহিত করেন। এটি জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতা ও বিজয়ের প্রতীক।

জুলাই আন্দোলনে প্রথম শহীদ কে ছিলেন?

এই আন্দোলনের অন্যতম প্রথম এবং আইকনিক শহীদ হলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, যিনি ১৬ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন-এর কাজ কী?

এই ফাউন্ডেশনের মূল কাজ হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা।

জুলাই আন্দোলনের মূল দাবি কী ছিল?

শুরুতে এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার। কিন্তু পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার প্রতিবাদে এটি সরকার পতনের এক দফা দাবিতে পরিণত হয়।

Previous Articleস্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙ্গে যায় কি ?
Next Article শহীদ দিবস সম্পর্কে ১০ টি বাক্য
Ajker bongo
  • Website

Related Posts

স্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙ্গে যায় কি ?

February 3, 2026

রোজা ভঙ্গের কারণ ১৯টি: জানুন আপনার রোজা সঠিক হচ্ছে কি না

February 3, 2026

রোজা রাখার নিয়ত এবং ইফতারের দোয়া ২০২৬

February 3, 2026

রোজা কত তারিখে ২০২৬: সম্ভাব্য সময়সূচী ও ক্যালেন্ডার

February 3, 2026
Leave A Reply Cancel Reply

Recent Posts
  • শহীদ দিবস উপলক্ষে বক্তব্য: সেরা কিছু নমুনা ও সহজ বক্তৃতার কৌশল
  • শহীদ দিবস সম্পর্কে ১০ টি বাক্য
  • জুলাই শহীদ দিবস কবে? ছাত্র-জনতার ত্যাগের ইতিহাস
  • স্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙ্গে যায় কি ?
  • রোজা ভঙ্গের কারণ ১৯টি: জানুন আপনার রোজা সঠিক হচ্ছে কি না
  • রোজা রাখার নিয়ত এবং ইফতারের দোয়া ২০২৬
  • রোজা কত তারিখে ২০২৬: সম্ভাব্য সময়সূচী ও ক্যালেন্ডার
  • কে এই কুখ্যাত জেফরি এপস্টেইন
  • डोलयात्रा 2026: तिथि, महत्व, इतिहास और उत्सव की पूरी जानकारी
  • শবে বরাতের নামাজের নিয়ম ও নিয়ত | শবে বরাতের আমল ও ফজিলত
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতার হিসাব
  • সরকারি ছুটির তালিকা ২০২৬ ব্যাংক
  • টপ ৫ ইন্সুরেন্স কোম্পানি ইন বাংলাদেশ: আপনার নিরাপত্তার সঠিক সঙ্গী বেছে নিন
  • গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স এর সুবিধা
  • ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স পলিসি চেক করার সহজ নিয়ম ২০২৬
  • ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স এর সুবিধা: পলিসি খোলার আগে যে ১০টি বিষয় না জানলেই নয়
© 2026 Ajker Bongo.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.