International AffairsJob Preparation

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতা সম্পর্ক: স্নায়ুযুদ্ধ, ক্ষমতার ভারসাম্য ও বিগত প্রশ্ন সমাধান

For competitive job exams (BCS, Bank, Primary), mastering আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতা সম্পর্ক is essential for scoring high. In this comprehensive study guide, all core rules, classification charts, and solved previous exam questions of আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতা সম্পর্ক are explained below.

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো ক্ষমতা ও জাতীয় নিরাপত্তা। একটি রাষ্ট্র তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রভাব বিস্তারের জন্য কীভাবে সামরিক, অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করে, তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার কেন্দ্রবিন্দু। বিসিএস প্রিলিমিনারি, ব্যাংক এবং পিএসসি বিভিন্ন পরীক্ষায় ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power), স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War), পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি ও আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল থেকে নিয়মিত প্রশ্ন এসে থাকে।


আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতা সম্পর্ক: 🌳 ভিজ্যুয়াল কনসেপ্ট ট্রি (Security & Power Relations)


                     আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতা সম্পর্ক
|
       +-------------------------------+-------------------------------+
|                               |                               |
[১. ক্ষমতা কাঠামো ও বিন্যাস]     [২. স্নায়ুযুদ্ধ ও মেরুকরণ]     [৩. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ]
|                               |                               |
  +----+----+----+                +----+----+                     +----+----+----+
|         |    |                |         |                     |    |    |    |
একমেরু    দ্বিমেরু বহুমেরু       ট্রুম্যান মার্শাল বার্লিন প্রাচীর     NPT  CTBT MAD START
(Unipolar)(Bipolar)(Multipolar) ডকট্রিন  প্ল্যান  (১৯৬১-১৯৮৯)

⚖️ পার্ট ১: ক্ষমতার রূপরেখা ও মেরুকরণ (Power Structure & Polarity)

1. ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power): কোনো একক রাষ্ট্র যেন অন্য সবার উপর আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে, সেজন্য একাধিক রাষ্ট্রের সমশক্তি অর্জনের জোট বা কৌশলগত অবস্থাকে ক্ষমতার ভারসাম্য বলে।
2. আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মেরুকরণ (Polarity):

  • একমেরু বিশ্ব (Unipolar World): একটিমাত্র পরাশক্তির একচ্ছত্র আধিপত্য (যেমন: ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা Pax Americana)।
  • দ্বিমেরু বিশ্ব (Bipolar World): দুটি মহাশক্তির বিশ্বব্যাপী প্রতিদ্বন্দ্বিতা (যেমন: ১৯৪৭-১৯৯১ স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম সোভিয়েত ইউনিয়ন)।
  • বহুমেরু বিশ্ব (Multipolar World): একাধিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের ভারসাম্য (যেমন: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী ইউরোপ বা বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ইইউ ও ভারতের সমন্বয়)।

3. আধিপত্যবাদ (Hegemony): আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক, সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক সর্বময় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।


❄️ পার্ট ২: স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War: ১৯৪৭ – ১৯৯১)

  • স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ব্লকের নেতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সমাজতান্ত্রিক ব্লকের নেতা সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR)-এর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সরাসরি যুদ্ধ ছাড়া মতাদর্শিক, অর্থনৈতিক, পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও প্রক্সি যুদ্ধের অবস্থাকে স্নায়ুযুদ্ধ বলে।
  • ‘Cold War’ পরিভাষাটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন ইংরেজ লেখক জর্জ অরওয়েল (১৯৪৫) এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একে জনপ্রিয় করেন মার্কিন অর্থনীতিক বার্নার্ড বারুচ (১৯৪৭)।
  • ট্রুম্যান ডকট্রিন (Truman Doctrine – ১৯৪৭): গ্রিস ও তুরস্কে সমাজতন্ত্র বিস্তার রোধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যানের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানের নীতি।
  • মার্শাল প্ল্যান (Marshall Plan – ১৯৪৮): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত পশ্চিম ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ মার্শালের ১৩ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা কর্মসূচি।
  • বার্লিন প্রাচীর (Berlin Wall): পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানির মাঝে সোভিয়েত সমর্থনে ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট প্রাচীর তোলা হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর এই প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়, যা স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ও ১৯৯০ সালের জার্মানি একত্রীকরণের সূচনা করে।
  • কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট (Cuban Missile Crisis – ১৯৬২): স্নায়ুযুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক ১৩ দিনের সংকট, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন সরাসরি পারমাণবিক যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছিল (মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনেডি বনাম সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ)।
  • সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন (১৯৯১): মিখাইল গর্বাচেভের সংস্কার নীতি গ্লাসনস্ত (উন্মুক্ততা) ও পেরেস্ত্রোইকা (অর্থনৈতিক পুনর্গঠন)-এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

—

☢️ পার্ট ৩: পারমাণবিক প্রতিরোধ ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি

1. পারস্পরিক নিশ্চিত ধ্বংস (MAD – Mutually Assured Destruction): উভয় পক্ষের এত বিপুল পারমাণবিক অস্ত্র থাকে যে কেউ প্রথম আক্রমণ চালালে উভয়েই সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। এই ভয়ই আক্রমণ রোধ করে।
2. এনপিটি (NPT – Non-Proliferation Treaty):

  • স্বাক্ষর: ১ জুলাই ১৯৬৮; কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
  • উদ্দেশ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
  • স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ৫টি পারমাণবিক রাষ্ট্র (P-5): যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন।
  • যেসব দেশ স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও দক্ষিণ সুদান (উত্তর কোরিয়া স্বাক্ষর করে ২০০৩ সালে প্রত্যাহার করে)।

3. সিটিবিটি (CTBT – Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty):

  • গ্রহণ: ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে।
  • উদ্দেশ্য: সামরিক বা বেসামরিক যেকোনো পরিবেশে সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।

4. সল্ট ও স্টার্ট চুক্তি (SALT & START):

  • SALT-I (১৯৭২) ও SALT-II (১৯৭৯): Strategic Arms Limitation Talks (কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ আলোচনা)।
  • START-I (১৯৯১) ও New START (২০১০): কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্র কমানোর মার্কিন-রুশ চুক্তি।

—

🚀 পার্ট ৪: আধুনিক আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

  • আয়রন ডোম (Iron Dome): ইসরায়েলের স্বল্পপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য রকেট ও আর্টিলারি প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
  • প্যাট্রিয়ট (Patriot System): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যম ও দূরপাল্লার বিমান ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
  • এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ (S-400 Triumf): রাশিয়ার অত্যন্ত আধুনিক দূরপাল্লার বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা (তুরস্ক, ভারত ও চীন এটি ক্রয় করেছে)।
  • থাড (THAAD – Terminal High Altitude Area Defense): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অতি-উচ্চতায় দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ব্যবস্থা (দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েনকৃত)।

—

💡 স্মরণ রাখার সুপার হ্যাকস (Memory Hacks)

– স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তির প্রতীক: ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীর পতন (Wall fell in ’89, USSR in ’91)।

– গর্বাচেভের দুই নীতি: গ্লাসনস্ত = উন্মুক্ত মতামত (Openness), পেরেস্ত্রোইকা = অর্থনৈতিক সংস্কার (Restructuring)।

– NPT-বহির্ভূত পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র: INPI $ o$ India, North Korea, Pakistan, Israel।

– ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মনে রাখার ট্রিক: Iron Dome (ইসরায়েল), S-400 (রাশিয়া), Patriot ও THAAD (যুক্তরাষ্ট্র)।


📝 বিগত বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ২৫টি প্রশ্ন সমাধান

✍️ বিগত বিসিএস, পিএসসি ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান (25টি MCQ)

বিসিএস প্রিলিমিনারি, বিভিন্ন ব্যাংক ও সরকারি চাকরির বিগত পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরের শতভাগ নির্ভুল সমাধান ও বিশদ ব্যাখ্যা:

০১ স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War) শব্দটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রথম কে প্রয়োগ করেন? [৩৮তম বিসিএস]

(ক)বার্নার্ড বারুচ
(খ)জর্জ অরওয়েল
(গ)উইনস্টন চার্চিল
(ঘ)হ্যারি ট্রুম্যান

✓ সঠিক উত্তর: বার্নার্ড বারুচ

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালের ১৬ এপ্রিল মার্কিন অর্থনীতিক ও রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা বার্নার্ড বারুচ (Bernard Baruch) এক বক্তৃতায় মার্কিন-সোভিয়েত বৈরি সম্পর্ক বোঝাতে ‘Cold War’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।

০২ ঐতিহাসিক বার্লিন প্রাচীর (Berlin Wall) কোন সালে ভেঙে ফেলা হয়? [৪০তম বিসিএস]

(ক)১৯৮৭
(খ)১৯৮৯
(গ)১৯৯১
(ঘ)১৯৮৫

✓ সঠিক উত্তর: ১৯৮৯

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৬১ সালে নির্মিত বার্লিন প্রাচীর ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ভেঙে ফেলা হয়, যা স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ও দুই জার্মানির একত্রীকরণের প্রতীক।

০৩ সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন? [৪১তম বিসিএস]

(ক)বরিস ইয়েলভসিন
(খ)মিখাইল গর্বাচেভ
(গ)লিওনিদ ব্রেজনেভ
(ঘ)নিকিতা ক্রুশ্চেভ

✓ সঠিক উত্তর: মিখাইল গর্বাচেভ

💡 ব্যাখ্যা: মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে ছিলেন। ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন এবং পরদিন সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়।

০৪ পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) কত সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং কার্যকর হয় কবে? [৩৭তম বিসিএস]

(ক)১৯৬৮ সালে স্বাক্ষর, ১৯৭০ সালে কার্যকর
(খ)১৯৭০ সালে স্বাক্ষর, ১৯৭২ সালে কার্যকর
(গ)১৯৬৫ সালে স্বাক্ষর, ১৯৬৮ সালে কার্যকর
(ঘ)১৯৭৪ সালে স্বাক্ষর, ১৯৭৬ সালে কার্যকর

✓ সঠিক উত্তর: ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষর, ১৯৭০ সালে কার্যকর

💡 ব্যাখ্যা: এনপিটি (Non-Proliferation Treaty) ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

০৫ নিচের কোন দেশ পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করেনি? [৪৩তম বিসিএস]

(ক)ভারত
(খ)ফ্রান্স
(গ)চীন
(ঘ)ইরান

✓ সঠিক উত্তর: ভারত

💡 ব্যাখ্যা: ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল এবং দক্ষিণ সুদান কখনোই এনপিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। উত্তর কোরিয়া ১৯৮৫ সালে স্বাক্ষর করলেও ২০০৩ সালে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।

০৬ সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক সংস্কার ও সমাজতান্ত্রিক উন্মুক্তকরণের নীতি ‘পেরেস্ত্রোইকা’ ও ‘গ্লাসনস্ত’-এর প্রবক্তা কে? [৩৬তম বিসিএস]

(ক)ভ্লাদিমির লেনিন
(খ)জোসেফ স্তালিন
(গ)মিখাইল গর্বাচেভ
(ঘ)নিকিতা ক্রুশ্চেভ

✓ সঠিক উত্তর: মিখাইল গর্বাচেভ

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ‘গ্লাসনস্ত’ (রাজনৈতিক উন্মুক্ততা) এবং ‘পেরেস্ত্রোইকা’ (অর্থনৈতিক পুনর্গঠন) নীতি প্রবর্তন করেন।

০৭ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য ঘোষিত মার্কিন অর্থনৈতিক কর্মসূচির নাম কী ছিল? [৩৫তম বিসিএস]

(ক)মার্শাল প্ল্যান
(খ)ট্রুম্যান ডকট্রিন
(গ)আইজেনহাওয়ার নীতি
(ঘ)নিউ ডিল

✓ সঠিক উত্তর: মার্শাল প্ল্যান

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৪৮ সালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ মার্শালের ঘোষিত ইউরোপীয় পুনরুদ্ধার কর্মসূচিকে ‘মার্শাল প্ল্যান’ (Marshall Plan) বলা হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিম ইউরোপে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়া হয়।

০৮ কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি ‘SALT-1’ কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল? [৩৯তম বিসিএস]

(ক)যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
(খ)যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
(গ)যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
(ঘ)যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া

✓ সঠিক উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং সোভিয়েত নেতা লিওনিদ ব্রেজনেভের মধ্যে কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণে SALT-1 স্বাক্ষরিত হয়।

০৯ সিটিবিটি (CTBT) চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী? [৩৪তম বিসিএস]

(ক)সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা
(খ)পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করা
(গ)রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করা
(ঘ)সামরিক জোট বিলুপ্ত করা

✓ সঠিক উত্তর: সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা

💡 ব্যাখ্যা: CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) হলো সব ধরনের পরিবেশে (বায়ুমণ্ডল, মহাকাশ, পানির নিচে বা ভূগর্ভস্থ) পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

১০ ১৯৬২ সালে বিশ্বের দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন কোন দেশের সংকটকে কেন্দ্র করে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছিল? [৪৪তম বিসিএস]

(ক)ভিয়েতনাম
(খ)কিউবা
(গ)কোরিয়া
(ঘ)আফগানিস্তান

✓ সঠিক উত্তর: কিউবা

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৬২ সালের অক্টোবরে কিউবায় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনকে কেন্দ্র করে বিখ্যাত ‘কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস’ সংঘটিত হয়।

১১ আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘Iron Dome’ কোন দেশের উদ্ভাবন ও মালিকানাধীন? [৪৫তম বিসিএস]

(ক)যুক্তরাষ্ট্র
(খ)ইসরায়েল
(গ)রাশিয়া
(ঘ)যুক্তরাজ্য

✓ সঠিক উত্তর: ইসরায়েল

💡 ব্যাখ্যা: আয়রন ডোম (Iron Dome) হলো ইসরায়েলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস নির্মিত অত্যন্ত সফল স্বল্পপাল্লার রকেট ও আর্টিলারি ইন্টারসেপশন ব্যবস্থা।

১২ রাশিয়ার দূরপাল্লার বিখ্যাত ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম কী? [৪২তম বিসিএস]

(ক)Patriot
(খ)S-400 Triumf
(গ)Iron Dome
(ঘ)Arrow 3

✓ সঠিক উত্তর: S-400 Triumf

💡 ব্যাখ্যা: এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ (S-400) হলো রাশিয়ার তৈরি অত্যন্ত আধুনিক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের পাল্লা প্রায় ৪০০ কিমি।

১৩ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘MAD’ (Mutually Assured Destruction) তত্ত্বের মূল বক্তব্য কী?

(ক)পারমাণবিক যুদ্ধের ফলে আক্রমণকারী ও আক্রান্ত উভয় পক্ষেরই নিশ্চিত ধ্বংস
(খ)প্রথাগত অস্ত্রের মাধ্যমে আধিপত্য রক্ষা
(গ)শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি
(ঘ)একক পরাশক্তির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা

✓ সঠিক উত্তর: পারমাণবিক যুদ্ধের ফলে আক্রমণকারী ও আক্রান্ত উভয় পক্ষেরই নিশ্চিত ধ্বংস

💡 ব্যাখ্যা: MAD তত্ত্ব অনুযায়ী, উভয় পরাশক্তির কাছে পর্যাপ্ত দ্বিতীয় আঘাত হানার ক্ষমতা (Second-strike capability) থাকলে কেউ যুদ্ধ শুরু করার সাহস পাবে না কারণ তাতে উভয়ের নিশ্চিত ধ্বংস অনিবার্য।

১৪ সোভিয়েত ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে কত সালে ভেঙে যায়? [৩২তম বিসিএস]

(ক)১৯৮৯
(খ)১৯৯০
(গ)১৯৯১
(ঘ)১৯৯৩

✓ সঠিক উত্তর: ১৯৯১

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত সুপ্রিম সোভিয়েটের ঘোষণার মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়ে ১৫টি স্বাধীন প্রজাতন্ত্রে বিভক্ত হয়।

১৫ যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘THAAD’-এর পূর্ণরূপ কী? [৪৬তম বিসিএস]

(ক)Terminal High Altitude Area Defense
(খ)Tactical Heavy Aerial Action Device
(গ)Total High Accuracy Air Deterrent
(ঘ)Thermal Hydro Active Air Defense

✓ সঠিক উত্তর: Terminal High Altitude Area Defense

💡 ব্যাখ্যা: THAAD (Terminal High Altitude Area Defense) হলো লকহিড মার্টিন নির্মিত আমেরিকান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

১৬ যে আন্তর্জাতিক ক্ষমতা ব্যবস্থায় দুটি প্রধান পরাশক্তি সারা বিশ্বকে বিভক্ত করে রাখে তাকে কী বলা হয়? [৩১তম বিসিএস]

(ক)দ্বিমেরু ব্যবস্থা (Bipolar System)
(খ)একমেরু ব্যবস্থা (Unipolar System)
(গ)বহুমেরু ব্যবস্থা (Multipolar System)
(ঘ)নন-পোলার ব্যবস্থা

✓ সঠিক উত্তর: দ্বিমেরু ব্যবস্থা (Bipolar System)

💡 ব্যাখ্যা: স্নায়ুযুদ্ধকালীন বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে দ্বিমেরু ব্যবস্থা (Bipolar World) গঠিত হয়েছিল।

১৭ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘Detente’ (দেতাত) শব্দটি কোন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়? [২৮তম বিসিএস]

(ক)যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চরম উত্তেজনা হ্রাস
(খ)যুদ্ধ ঘোষণা
(গ)বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ
(ঘ)সামরিক জোট গঠন

✓ সঠিক উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চরম উত্তেজনা হ্রাস

💡 ব্যাখ্যা: দেতাত (Detente) একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ শিথিলকরণ। ১৯৭০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনা প্রশমন বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

১৮ কমিউনিজম বা সমাজতন্ত্র বিস্তার ঠেকাতে ১৯৪৭ সালে ঘোষিত মার্কিন নীতিকে কী বলা হয়? [২৯তম বিসিএস]

(ক)মনরো ডকট্রিন
(খ)ট্রুম্যান ডকট্রিন
(গ)আইজেনহাওয়ার ডকট্রিন
(ঘ)কার্টার ডকট্রিন

✓ সঠিক উত্তর: ট্রুম্যান ডকট্রিন

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান বিশ্বে কমিউনিস্ট শক্তির বিস্তার রোধে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তার ঘোষণা দেন যা ট্রুম্যান ডকট্রিন নামে খ্যাত।

১৯ দুই জার্মানির ঐতিহাসিক একত্রীকরণ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত ও কার্যকর হয়? [২৭তম বিসিএস]

(ক)১৯৮৯ সালে
(খ)১৯৯০ সালে
(গ)১৯৯১ সালে
(ঘ)১৯৯২ সালে

✓ সঠিক উত্তর: ১৯৯০ সালে

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি একত্রিত হয়ে একক ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি গঠন করে।

২০ পরমাণু অস্ত্রবাহী মার্কিন বোমারু বিমান ‘এনােলা গে’ (Enola Gay) ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের কোন শহরে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করে? [৩০তম বিসিএস]

(ক)হিরোশিমা
(খ)নাগাসাকি
(গ)টোকিও
(ঘ)ওসাকা

✓ সঠিক উত্তর: হিরোশিমা

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় ‘লিটল বয়’ এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে ‘ফ্যাট ম্যান’ নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

২১ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসে ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত সর্বশেষ চুক্তির নাম কী? [৩৩তম বিসিএস]

(ক)New START
(খ)SALT-II
(গ)INF Treaty
(ঘ)ABM Treaty

✓ সঠিক উত্তর: New START

💡 ব্যাখ্যা: ২০১০ সালে প্রাগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ ‘New START’ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

২২ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘Hegemony’ (আধিপত্য) ধারণাটি কার রাজনৈতিক দর্শনের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত?

(ক)আন্তোনিও গ্রামসি
(খ)কার্ল মার্কস
(গ)নিকোলো মেকিয়াভেলি
(ঘ)ম্যাক্স ওয়েবার

✓ সঠিক উত্তর: আন্তোনিও গ্রামসি

💡 ব্যাখ্যা: ইতালীয় তাত্ত্বিক আন্তোনিও গ্রামসি তাঁর ‘Prison Notebooks’-এ সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য (Cultural Hegemony) তত্ত্ব বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন।

২৩ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কোন সালে ব্যাপক পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT) গৃহীত হয়? [২৬তম বিসিএস]

(ক)১৯৯৪
(খ)১৯৯৬
(গ)১৯৯৮
(ঘ)২০০০

✓ সঠিক উত্তর: ১৯৯৬

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সিটিবিটি চুক্তি গৃহীত হয় এবং ২৪ সেপ্টেম্বর তা স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।

২৪ বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ কোনটি? [৩৭তম বিসিএস]

(ক)মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
(খ)সোভিয়েত ইউনিয়ন
(গ)যুক্তরাজ্য
(ঘ)জার্মানি

✓ সঠিক উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই ‘ম্যানহাটন প্রজেক্ট’-এর আওতায় নিউ মেক্সিকোর ট্রিনিটি টেস্টের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায়।

২৫ দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তান কত সালে পারমাণবিক অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়? [১৮তম বিসিএস]

(ক)১৯৯৬ সালে
(খ)১৯৯৮ সালে
(গ)২০০০ সালে
(ঘ)২০০২ সালে

✓ সঠিক উত্তর: ১৯৯৮ সালে

💡 ব্যাখ্যা: ১৯৯৮ সালের মে মাসে ভারত পোখরানে (অপারেশন শক্তি) এবং এর জবাবে পাকিস্তান চাগাই পাহাড়ে পারমাণবিক অস্ত্রের সফল বিস্ফোরণ ঘটায়।

👨‍🏫

লেখক ও সংকলক পরিচিতি

Mohammad Sakhaoat Hosain

Instructor (English)
Hajiganj Government Technical School and College

Former Lecturer in English
Dhaka International University

Related Articles

Back to top button