Bangladesh AffairsJob Preparation

বাংলাদেশের সংবিধান: প্রস্তাবনা, গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ, সংশোধনী ও মৌলিক অধিকার (বিসিএস ও ব্যাংক প্রস্তুতি)

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন (Supreme Law of the Republic)। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলির ৩০ নম্বরের মধ্যে সংবিধান অংশ থেকেই প্রতি বছর ৪ থেকে ৬টি প্রশ্ন সরাসরি আসে। এছাড়া ব্যাংক নিয়োগ, জুডিশিয়ারি (BJS), পিএসসি নন-ক্যাডার এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সংবিধান থেকে সর্বাধিক সংখ্যক প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বাংলাদেশের সংবিধান: 🌳 ভিজ্যুয়াল কনসেপ্ট ম্যাপ: সংবিধানের কাঠামো (Structure of Constitution)

“
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
|
+-------------------+-------------------+-------------------+
| | | |
[১টি প্রস্তাবনা] [১১টি ভাগ] [১৫৩টি অনুচ্ছেদ] [৭টি তফসিল]
(Preamble) (Parts) (Articles) (Schedules)
“


🏛️ পার্ট ১: সংবিধান প্রণয়নের ঐতিহাসিক পটভূমি

1. অস্থায়ী সংবিধান আদেশ:

  • ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ-১৯৭২’ জারি করেন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রূপান্তর ঘটে।

2. গণপরিষদ আদেশ (PO No. 22 of 1972):

  • ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
  • গণপরিষদের মোট সদস্য ছিলেন ৪০৩ জন (১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত গণপরিষদের ৪৬৯ জনের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, মৃত ও দলচ্যুত বাদে)।
  • প্রথম অধিবেশন বসে: ১০ এপ্রিল ১৯৭২।
  • প্রথম স্পিকার: শাহ আব্দুল হামিদ; ডেপুটি স্পিকার: মোহাম্মদুল্লাহ।

3. খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:

  • গঠন: ১১ এপ্রিল ১৯৭২।
  • মোট সদস্য: ৩৪ জন।
  • সভাপতি / প্রধান: ড. কামাল হোসেন (তৎকালীন আইনমন্ত্রী)।
  • একমাত্র নারী সদস্য: বেগম রাজিয়া বানু।
  • একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ থেকে নির্বাচিত)।

4. সংবিধান গৃহীত ও কার্যকর হওয়ার দিনপঞ্জি:

  • খসড়া উত্থাপন: ১২ অক্টোবর ১৯৭২ (আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন উত্থাপন করেন)।
  • গণপরিষদে গৃহীত: ৪ নভেম্বর ১৯৭২ (প্রতি বছর ৪ নভেম্বর পালিত হয় জাতীয় সংবিধান দিবস)।
  • কার্যকর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকীতে)।

5. হস্তলিখিত মূল সংবিধান:

  • মূল লেখক (ক্যালিগ্রাফার): আব্দুর রউফ।
  • অলংকরণ ও অঙ্গসজ্জা কমিটির প্রধান: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন (সহকারী: সমরজিৎ রায় চৌধুরী, আবুল বারক আলভী)।
  • মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৩ পাতা।
  • গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য এতে স্বাক্ষর করেন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
  • মূল কপি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

—

📜 পার্ট ২: সংবিধানের মূল রূপরেখা ও ১১টি ভাগের সংক্ষিপ্ত তালিকা

📊 বাংলাদেশের সংবিধান তুলনামূলক চার্ট ও বিশ্লেষণ:

ভাগ নম্বর ভাগের নাম অন্তর্ভুক্ত অনুচ্ছেদ মূল বিষয়বস্তু
১ম ভাগ প্রজাতন্ত্র (The Republic) ১ – ৭(খ) রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমা, রাষ্ট্রধর্ম, রাষ্ট্রভাষা, জাতীয় প্রতীক ও সংবিধানের প্রাধান্য
২য় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ৮ – ২৫ ৪টি মূলনীতি, কৃষক-শ্রমিকের মুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও পররাষ্ট্রনীতি
৩য় ভাগ মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) ২৬ – ৪৭(ক) নাগরিকের ১৮টি মৌলিক অধিকার, সমতা, বাক-স্বাধীনতা ও রিট এখতিয়ার
৪র্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ (The Executive) ৪৮ – ৬৪ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা ও অ্যাটর্নি জেনারেল
৫ম ভাগ আইনসভা (The Legislature) ৬৫ – ৯৩ জাতীয় সংসদ, নির্বাচন, ৭০ অনুচ্ছেদ, ন্যায়পাল ও অধ্যাদেশ প্রণয়ন ক্ষমতা
৬ষ্ঠ ভাগ বিচার বিভাগ (The Judiciary) ৯৪ – ১২৬ সুপ্রিম কোর্ট (আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ), অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল
৭ম ভাগ নির্বাচন (Elections) ১২৭ – ১৩৬ নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও নির্বাচন পরিচালনা
৮ম ভাগ মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ১২৭ – ১৩২ CAG নিয়োগ, দায়িত্ব ও সরকারি ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট পেশ
৯ম ভাগ বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ১৩৩ – ১৪১ বিপিএসসি (BPSC) গঠন, সিভিল সার্ভিস ও সরকারি কর্মচারীদের সুরক্ষাকবচ
৯ম-ক ভাগ জরুরি বিধানাবলী (Emergency Provisions) ১৪১(ক) – ১৪১(গ) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জরুরি অবস্থা ঘোষণা ও মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ
১০ম ভাগ সংবিধান-সংশোধন ১৪২ দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) সংসদ সদস্যের ভোটে সংবিধান সংশোধন
১১শ ভাগ বিবিধ (Miscellaneous) ১৪৩ – ১৫৩ সরকারি সম্পত্তি, চুক্তি, আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পদের শপথ

⚖️ পার্ট ৩: পরীক্ষার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ (Hot Articles)

বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় যে অনুচ্ছেদগুলো বারবার আসে, সেগুলোর সারসংক্ষেপ নিচে ছক আকারে দেওয়া হলো:

১ম ও ২য় ভাগ: প্রজাতন্ত্র ও মূলনীতি

  • অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র — বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত হইবে।
  • অনুচ্ছেদ ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম — প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্ম পালনে সমঅধিকার নিশ্চিত হইবে।
  • অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা — প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
  • অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’র প্রথম ১০ চরণ জাতীয় সঙ্গীত; জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের উপর লাল বৃত্ত (অনুপাত ১০:৬ বা ৫:৩); জাতীয় প্রতীক উভয়পাশে ধানের শীষবেষ্টিত প্রস্ফুটিত শাপলা, উপরে ৩টি পাটপাতা ও ৪টি তারকা।
  • অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব — বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
  • অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য — প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
  • অনুচ্ছেদ ৭(ক): সংবিধান বাতিল বা স্থগিতকরণ রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ এবং সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডনীয়।
  • অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ — জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
  • অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
  • অনুচ্ছেদ ১২: ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
  • অনুচ্ছেদ ১৩: মালিকানার নীতি — ৩ প্রকার (রাষ্ট্রীয়, সমবায়ী ও ব্যক্তিগত)।
  • অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা — অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা।
  • অনুচ্ছেদ ১৭: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা।
  • অনুচ্ছেদ ১৮(ক): পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন (পঞ্চদশ সংশোধনীতে যুক্ত)।
  • অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ (১ নভেম্বর ২০০৭ কার্যকর হয় ঐতিহাসিক মাজদার হোসেন মামলার রায়ে)।
  • অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন — “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়” (পররাষ্ট্রনীতির মূলভিত্তি)।

৩য় ভাগ: মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights)

💡 গুরুত্বপূর্ণ মেমোরি টিপস: মেমোরি হ্যাক: সংবিধানে মৌলিক অধিকার বর্ণিত রয়েছে ২৬ থেকে ৪৭(ক) অনুচ্ছেদ পর্যন্ত। মোট মৌলিক অধিকার ১৮টি। এগুলো আদালতে বলবৎযোগ্য (Enforceable)।

  • অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা — সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
  • অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম প্রভৃতির কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ; ২৮(২) ধারায় রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার স্বীকৃত।
  • অনুচ্ছেদ ২৯: সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা।
  • অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ।
  • অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
  • অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা।
  • অনুচ্ছেদ ৩৭: সমাবেশের স্বাধীনতা।
  • অনুচ্ছেদ ৩৮: সংগঠনের স্বাধীনতা।
  • অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ৩৯(২) খ অনুচ্ছেদে)।
  • অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
  • অনুচ্ছেদ ৪২: সম্পত্তির অধিকার।
  • অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ — মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করা যায়।
  • (পরীক্ষায় বাংলাদেশের সংবিধান থেকে প্রশ্ন আসলে এই দিকগুলো খেয়াল রাখা জরুরি)।

৪র্থ থেকে ৭ম ভাগ: সরকার, সংসদ ও বিচার বিভাগ

  • অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপ্রধান, সংসদ সদস্যদের ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন (সর্বোচ্চ ২ মেয়াদ)।
  • অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (Impeachment) — সংসদের মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে।
  • অনুচ্ছেদ ৬৫: জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠা — ৩০০টি একক আঞ্চলিক আসন + ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন (মোট ৩৫০ আসন)।
  • অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিরুদ্ধে ভোটদান (ফ্লোর ক্রসিং নিষিদ্ধ)।
  • অনুচ্ছেদ ৭৭: ন্যায়পাল (Ombudsman) প্রতিষ্ঠার বিধান।
  • অনুচ্ছেদ ৮১: অর্থবিল (Money Bill) — রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত অর্থবিল উত্থাপন করা যায় না।
  • অনুচ্ছেদ ৯৩: রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ (Ordinance) প্রণয়ন ক্ষমতা (সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে)।
  • অনুচ্ছেদ ৯৪: সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা (আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ)।
  • অনুচ্ছেদ ১০২: হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার (৫ ধরনের রিট: Habeas Corpus, Mandamus, Prohibition, Quo-Warranto, Certiorari)।
  • অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল।
  • অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা (প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনার)।
  • অনুচ্ছেদ ১৩৭: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রতিষ্ঠা।
  • অনুচ্ছেদ ১৪১(ক): জরুরি অবস্থা ঘোষণা (রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরে ঘোষণা করেন; সর্বোচ্চ ১২০ দিন প্রথম ধাপে কার্যকর থাকে)।
  • অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধান সংশোধন বিধান (সংসদের মোট সদস্যের অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে)।

—

📊 পার্ট ৪: সংবিধানের ১৭টি সংশোধনীর পূর্ণাঙ্গ চার্ট

সংশোধনী পাসের সাল মূল বিষয়বস্তু ও পটভূমি
১ম ১৯৭৩ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিতকরণ (গণহত্যাজনিত অপরাধের বিচার)।
২য় ১৯৭৩ জরুরি অবস্থা ঘোষণা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইন এবং নিবর্তনমূলক আটকের বিধান।
৩য় ১৯৭৪ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি (বেরুবাড়ী হস্তান্তর ও ছিটমহল সংক্রান্ত)।
৪র্থ ১৯৭৫ সংসদীয় পদ্ধতি বাতিল করে একদলীয় রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা (বাকশাল) প্রবর্তন।
৫ম ১৯৭৯ জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলের সকল কর্মকাণ্ডের বৈধতাদান (পরবর্তীতে ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত)।
৬ষ্ঠ ১৯৮১ উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান।
৭ম ১৯৮৬ এইচ এম এরশাদের সামরিক শাসনামলের কর্মকাণ্ডের বৈধতাদান (২০১৫ সালে অবৈধ ঘোষিত)।
৮ম ১৯৮৮ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা এবং ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন (বেঞ্চ সংক্রান্ত অংশ পরে বাতিল)।
৯ম ১৯৮৯ রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদে যুগপৎ নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতির মেয়াদ সর্বোচ্চ ২ মেয়াদে সীমাবদ্ধকরণ।
১০ম ১৯৯০ সংসদে মহিলাদের ৩০টি সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ আরও ১০ বছরের জন্য বৃদ্ধি।
১১শ ১৯৯১ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের দায়িত্বগ্রহণ ও প্রধান বিচারপতি পদে প্রত্যাবর্তনের বৈধতা।
১২শ ১৯৯১ ঐতিহাসিক দ্বাদশ সংশোধনী: রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন।
১৩শ ১৯৯৬ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা (Caretaker Government) প্রবর্তন (২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত)।
১৪শ ২০০৪ মহিলাদের সংরক্ষিত আসন ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৪৫-এ উন্নীতকরণ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭ করা।
১৫শ ২০১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল, ৭(ক) ও ৭(খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন এবং জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ থেকে ৫০-এ বৃদ্ধি।
১৬শ ২০১৪ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে অর্পণ (পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট এটিকে বাতিল করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করে)।
১৭শ ২০১৮ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি।

📌 পার্ট ৫: দ্রুত রিভিশন শিট (Quick Memory Sheet)

  • সংবিধান দিবস: ৪ নভেম্বর (১৯৭২ সালে গণপরিষদে গৃহীত)।
  • সংবিধান কার্যকর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
  • সংবিধানের প্রস্তাবনা: ১টি বাক্য বিশিষ্ট।
  • মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩টি।
  • মোট ভাগ: ১১টি।
  • তফসিল: ৭টি (মূল সংবিধানে ছিল ৪টি, ৫ম ও ৭ম সংশোধনী বাতিলের পর যুক্ত হয়ে বর্তমানে ৭টি)।
  • সর্বোচ্চ আইন: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭(২) অনুযায়ী সংবিধানই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
  • সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন: দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১)।
  • মৌলিক অধিকার কয়টি: ১৮টি (সংবিধানের ৩য় ভাগে বর্ণিত)।
  • রিট আবেদনের অনুচ্ছেদ: ১০২ অনুচ্ছেদ।

📝 বিগত নিয়োগ পরীক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন প্রশ্নব্যাংক (MCQ)

বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাদেশের সংবিধান থেকে বিগত বছরগুলোতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নসমূহ নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হলো:

০১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে কোন তারিখে গৃহীত হয়?
(ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
(খ) ৪ নভেম্বর ১৯৭২
(গ) ১২ অক্টোবর ১৯৭২
(ঘ) ২৬ মার্চ ১৯৭২

✓ সঠিক উত্তর: খ) ৪ নভেম্বর ১৯৭২
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এ দিনটিকে প্রতি বছর জাতীয় সংবিধান দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এটি কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে। (৩৬তম ও ৪১তম বিসিএস)
০২. বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
(ক) ৩৪ জন
(খ) ৩৫ জন
(গ) ৪০ জন
(ঘ) ৪০৩ জন

✓ সঠিক উত্তর: ক) ৩৪ জন
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু এবং একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। (৩৮তম বিসিএস)
০৩. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হইতে পৃথকীকরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?
(ক) অনুচ্ছেদ ১১
(খ) অনুচ্ছেদ ১৯
(গ) অনুচ্ছেদ ২২
(ঘ) অনুচ্ছেদ ২৭

✓ সঠিক উত্তর: গ) অনুচ্ছেদ ২২
💡 ব্যাখ্যা: সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ২২ নম্বর অনুচ্ছেদে “নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ” নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর এই নির্দেশনা অনুযায়ী বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথক হয়। (৩৯তম ও ৪২তম বিসিএস)
০৪. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “আইনের দৃষ্টিতে সমতা” নিশ্চিত করা হয়েছে?
(ক) অনুচ্ছেদ ২৬
(খ) অনুচ্ছেদ ২৭
(গ) অনুচ্ছেদ ২৮
(ঘ) অনুচ্ছেদ ৩১

✓ সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ২৭
💡 ব্যাখ্যা: সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।” এটি ৩য় ভাগে বর্ণিত অন্যতম প্রধান মৌলিক অধিকার। (৪০তম বিসিএস)
০৫. বাংলাদেশের হস্তলিখিত মূল সংবিধানের মূল লিপিকার (Calligrapher) কে ছিলেন?
(ক) জয়নুল আবেদিন
(খ) আব্দুর রউফ
(গ) সমরজিৎ রায় চৌধুরী
(ঘ) হাশেম খান

✓ সঠিক উত্তর: খ) আব্দুর রউফ
💡 ব্যাখ্যা: হস্তলিখিত সংবিধানটির ক্যালিগ্রাফি বা মূল লিপি তৈরি করেছিলেন শিল্পী একেএম আব্দুর রউফ। অলংকরণ কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। (৩৭তম বিসিএস)
০৬. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের জন্য রিট দায়ের করা যায়?
(ক) অনুচ্ছেদ ৪৪ ও ১০২
(খ) অনুচ্ছেদ ২৭ ও ৩২
(গ) অনুচ্ছেদ ৬৫ ও ৭০
(ঘ) অনুচ্ছেদ ৯৪ ও ৯৫

✓ সঠিক উত্তর: ক) অনুচ্ছেদ ৪৪ ও ১০২
💡 ব্যাখ্যা: অনুচ্ছেদ ৪৪ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার অধিকার প্রদান করে এবং অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী নাগরিকরা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারেন। (৪৪তম বিসিএস)
০৭. কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়?
(ক) পঞ্চম সংশোধনী
(খ) অষ্টম সংশোধনী
(গ) দ্বাদশ সংশোধনী
(ঘ) ত্রয়োদশ সংশোধনী

✓ সঠিক উত্তর: গ) দ্বাদশ সংশোধনী
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৯১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর পাস হওয়া দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছর পর রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়। (৩৫তম বিসিএস)
০৮. সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু কোনটি?
(ক) রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা
(খ) ফ্লোর ক্রসিং বা দল ত্যাগ সংক্রান্ত বিধান
(গ) অর্থবিল পাস
(ঘ) বিচারপতি অপসারণ

✓ সঠিক উত্তর: খ) ফ্লোর ক্রসিং বা দল ত্যাগ সংক্রান্ত বিধান
💡 ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য নিজ দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। (৪৩তম বিসিএস)
০৯. সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ (Ordinance) জারি করতে পারেন কোন অনুচ্ছেদ বলে?
(ক) অনুচ্ছেদ ৮০
(খ) অনুচ্ছেদ ৮১
(গ) অনুচ্ছেদ ৯৩
(ঘ) অনুচ্ছেদ ১৪১(ক)

✓ সঠিক উত্তর: গ) অনুচ্ছেদ ৯৩
💡 ব্যাখ্যা: জাতীয় সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ৯৩ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন, যা সংসদের আইনের মতো কার্যকর হয়। (বাংলাদেশ ব্যাংক এডি)
১০. সংবিধানে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান কোন ভাগে এবং কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
(ক) ৪র্থ ভাগ, ৪৮ অনুচ্ছেদ
(খ) ৯ম-ক ভাগ, ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ
(গ) ১০ম ভাগ, ১৪২ অনুচ্ছেদ
(ঘ) ১১শ ভাগ, ১৪৩ অনুচ্ছেদ

✓ সঠিক উত্তর: খ) ৯ম-ক ভাগ, ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ
💡 ব্যাখ্যা: ১৯৭৩ সালের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৯ম-ক ভাগ ও ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়। যুদ্ধ, বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের সময় রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। (৩৬তম বিসিএস)
১১. বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল (Schedules) রয়েছে?
(ক) ৪টি
(খ) ৫টি
(গ) ৬টি
(ঘ) ৭টি

✓ সঠিক উত্তর: ঘ) ৭টি
💡 ব্যাখ্যা: মূল সংবিধানে ৪টি তফসিল ছিল। পরবর্তীতে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭ মার্চ ভাষণ (৫ম তফসিল), ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা (৬ষ্ঠ তফসিল) ও ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্র (৭ম তফসিল) অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় মোট তফসিল বর্তমানে ৭টি। (৪৫তম বিসিএস)
১২. সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে “ন্যায্যপাল” (Ombudsman) প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে?
(ক) অনুচ্ছেদ ৬৫
(খ) অনুচ্ছেদ ৭৭
(গ) অনুচ্ছেদ ১১৮
(ঘ) অনুচ্ছেদ ১৩৭

✓ সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ৭৭
💡 ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৭৭ নম্বর অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা লাভ করে। ১৯৮০ সালে ন্যায়পাল আইন পাস হলেও এখনো তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। (৩৩তম বিসিএস)
১৩. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে?
(ক) অনুচ্ছেদ ৩৭
(খ) অনুচ্ছেদ ৩৮
(গ) অনুচ্ছেদ ৩৯
(ঘ) অনুচ্ছেদ ৪০

✓ সঠিক উত্তর: গ) অনুচ্ছেদ ৩৯
💡 ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৩৯(১) অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে এবং ৩৯(২) অনুচ্ছেদে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। (৪১তম বিসিএস)
১৪. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) গঠিত হয়?
(ক) অনুচ্ছেদ ১৩৩
(খ) অনুচ্ছেদ ১৩৭
(গ) অনুচ্ছেদ ১৪০
(ঘ) অনুচ্ছেদ ১৪১

✓ সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ১৩৭
💡 ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৯ম ভাগের ১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। এর আলোকে রাষ্ট্রপতি বিপিএসসি গঠন করেন। (৩৮তম বিসিএস)
১৫. সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদে মোট সদস্যের কত অংশের ভোটের প্রয়োজন হয়?
(ক) সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা
(খ) অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩)
(গ) তিন-চতুর্থাংশ (৩/৪)
(ঘ) উপস্থিত সদস্যদের অর্ধেক

✓ সঠিক উত্তর: খ) অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩)
💡 ব্যাখ্যা: সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের কোনো বিল সংসদে পাস হতে হলে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২৩৪ জন) সদস্যের ইতিবাচক ভোটের প্রয়োজন হয়। (৩৫তম বিসিএস)

💡 Quick Revision Tip: Regularly review these core বাংলাদেশের সংবিধান rules and solve previous job exam MCQs to build speed and accuracy.

👨‍🏫
Mohammad Sakhaoat Hosain
Instructor (English), Hajiganj Government Technical School and College
Former Lecturer in English, Dhaka International University (DIU)

Related Articles

Back to top button